সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বুলন্দশহরের হিংসা ক্রমশই বড় আকার নিচ্ছে। পরিস্থিতি সামলাতে আসরে নেমে পড়েছে যোগী সরকার। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী নিজে বিষয়টি মিটমাট করতে উদ্যোগী হয়েছেন। ইতিমধ্যে নিহত পুলিশ অফিসারের বাড়িতে গিয়েছিলেন যোগী আদিত্যনাথ। এবার তিনি গেলেন দিল্লি। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন তিনি।
সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর বাড়িতে গিয়ে দেখা করেন যোগী। ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীকে দেন তিনি। ইতিমধ্যেই নিহত পুলিশ অফিসার সুবোধ কুমার সিংয়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন যোগী। সেখানে তাঁর পরিবারকে রাজ্যের তরফে ৫০ লক্ষ টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে বলে জানান। এও প্রতিশ্রুতি দেন, পরিবারের ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার জন্য শিক্ষাঋণের বন্দোবস্ত করে দেবেন তিনি। পরিবারের একজনকে সরকারি চাকরি দেওয়ার আশ্বাসও দেন। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীকে এই কথাগুলিও জানান আদিত্যনাথ। তবে বিজেপি সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রীকে ‘অর্ধ-কুম্ভ’-এ আসার নিমন্ত্রণ করতেই দিল্লি গিয়েছিলেন যোগী।
[ রামায়ণের পর ‘পঞ্জ তখত এক্সপ্রেস’, শিখ তীর্থযাত্রীদের জন্য রেলের নয়া ট্রেন ]
সোমবার সকালে উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহরে গ্রামের বাইরে জঙ্গল সংলগ্ন এলাকায় কয়েকটি গরুর মৃতদেহ দেখা যায়। সেগুলি তুলে নিয়ে আসে ডানপন্থী রাজনৈতিক দলের কর্মীরা। সেগুলি নিয়ে থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় তারা। তখনই পুলিশের সঙ্গে তাদের খণ্ডযুদ্ধ বেধে যায়। তাতে এক পুলিশ অফিসার ও এক সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়। ওই এলাকাতেই একদিন আগে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান ছিল। সেই অনুষ্ঠানের সঙ্গে এই গোহত্যার যোগ রয়েছে বলে গুজব ছড়ায় এলাকায়। এর জেরেই ছড়ায় হিংসা। অভিযুক্ত হিসেবে উঠে আসে যোগেশ রাজের নাম। কিন্তু যোগেশ এক ভিডিওবর্তায় জানায়, তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে তার কোনও যোগাযোগ নেই। সেদিন মোট দু’টি ঘটনা ঘটেছিল। প্রথমটি ছিল জঙ্গল সংলগ্ন এলাকায় গবাদি পশুর মৃতদেহ উদ্ধার হওয়া। সেই ঘটনার জেরে তাকে থানায় যেতে হয়েছিল। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ যখন হয়, তখন সে সেখানে ছিল না।
[ চাইলেই মুছে ফেলতে পারেন আধারের তথ্য, নতুন নিয়মের ভাবনা কেন্দ্রের ]