অর্ণব আইচ: ফের শহরে শিশু অপহরণের ঘটনা। এবার একেবারে মায়ের কোল থেকে শিশুকে ছিনিয়ে নিয়ে পালাল দুষ্কৃতী। মধ্য কলকাতার বিবেকানন্দ রোডে রাতের বেলা ফুটপাতে মায়ের কোল ঘেঁষে ঘুমিয়ে থাকা ১১ মাসের শিশুকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর গিরিশ পার্ক থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন শিশুটির বাবা গোপাল সিং। অভিযোগের ভিত্তিতেই অপহরণের মামলা দায়ের হয়েছে।
দিন দুয়েক আগে অপহরণের ঘটনাটি ঘটেছে। তবে এখনও পর্যন্ত অপহরণকারীর সন্ধান মেলেনি বলে পুলিশ সূত্রে খবর। শুরু হয়েছে তদন্ত। পুলিশ জানিয়েছে, বিবেকানন্দ রোডের উপরেই পরিবার নিয়ে থাকেন গোপাল সিং। ঘটনার দিন পুত্র সন্তানটি ছিল তাঁর স্ত্রীর কাছে। একটু দূরে ঘুমোচ্ছিলেন গোপাল নিজেও। ওই যুবক পুলিশকে জানিয়েছেন, রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ তাঁরা ঘুমোতে যান। ভোর পাঁচটার সময় উঠে দেখেন, শিশুটি মায়ের কাছে নেই। শিশুটির মা ও বাবা এবং পরিবারের প্রত্যেকেই আশপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কিন্তু কোথাও বাচ্চাটিকে পাওয়া যায় না। শেষ পর্যন্ত তাঁরা গিরিশ পার্ক থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
[আরও পড়ুন: দর্শকাসনে মোটে শ’দেড়েক লোক! নাম ঘোষণার পরও বক্তব্য না রেখে মঞ্চ ছাড়লেন অভিষেক]
তদন্তে নেমে ঘটনাস্থলে যান লালবাজারের গোয়েন্দারাও। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, ফুটেজে দেখা গিয়েছে, ভোট চারটে নাগাদ এক যুবক ধীরে ধীরে ফুটপাতে কাছে আসে। চারপাশ দেখে নিয়ে শিশুটিকে কোলে তুলে নেয়। এরপর তাকে নিয়ে হাঁটা দেয়। এক গোয়েন্দা আধিকারিক জানিয়েছেন, ওই জায়গায় অন্ধকার ছিল। তাই খুব ভালভাবে যুবকের মুখ দেখে চিহ্নিত করা যায়নি। তদন্ত শুরু করে একাধিক সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর আগেও মধ্য কলকাতার কয়েকটি জায়গা থেকে এভাবে চুরি হয়েছিল। কয়েকটি ক্ষেত্রে শিশুকে উদ্ধার করা গেলেও দু-একটি ক্ষেত্রে সম্ভব হয়নি। তবে সাম্প্রতিক ঘটনাটি খুবই গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে বলে দাবি পুলিশের।
[আরও পড়ুন: খাস কলকাতায় করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক, শ্বাসকষ্টে মৃত্যু থাইল্যান্ডের তরুণীর]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন