অর্ণব আইচ: ফের প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে আক্রান্ত এক বন্দি। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম হয়ে এসএসকেএম হাসপাতালে ভরতি কুখ্যাত দুষ্কৃতী। ঘটনায় সংশোধনাগারের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্তে নেমেছে সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ।
[আরও পড়ুন: ঘুচল ‘মাওবাদী সমর্থক’ তকমা, ১০বছর পর বেকসুর খালাস মানবাধিকার কর্মী]
টালিগঞ্জ থানা এলাকার কুখ্যাত দুষ্কৃতী শ্রীধর দাস। কয়েক মাস আগে একটি গন্ডগোলের ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সপ্তাখানেক আগে আনা হয় প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে। সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রবিবার বিকেলে যখন নিয়মমাফিক সংশোধনাগারের ভিতরে খোলা জায়গায় জমায়েত হয় বন্দিরা, তখন শ্রীধরের সঙ্গে রাজা দত্ত ও শম্ভু নামে দু’জন বন্দির বচসা শুরু হয়। বচসা চলাকালীন শ্রীধরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথারি কোপাতে শুরু করে ওই দু’জন। শোরগোল পড়ে যায় প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান সংশোধনাগারের আধিকারিকরা। রক্তাক্ত অবস্থায় শ্রীধরকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। হাসপাতালে ভরতি সে।
শোনা যাচ্ছে, ঘটনার সময়ে নাকি শ্রীধরকে ক্ষুর দিয়ে আঘাত করেছিল রাজা ও শম্ভু। কিন্তু সংশোধনাগারে ক্ষুর এল কোথা থেকে? তদন্তে নেমেছে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ। আধিকারিকদের একাংশের অবশ্য বক্তব্য, অনেক সময় চামচ কিংবা থালায় শান দিয়ে ধারালো করে তোলে বন্দিরা। সম্ভবত তেমন কিছু দিয়েই শ্রীধরের উপর হামলা হয়েছে। তবে সে যাই হোক না কেন, এই ঘটনায় প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের নিরাপত্তা নিয়ে কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে। উল্লেখ্য, কয়েক বছর আগে এই প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারেই খুন হয়ে গিয়েছিল অপহরণের মামলায় অভিযুক্ত হ্যাপি সিং।