সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাঝেরহাটে সেতুভঙ্গের ঘটনায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। ঘুরপথে চলছে যানবাহন। ৪০ মিনিটের পথ পেরোতে সময় লেগে যাচ্ছে তিন ঘণ্টা! সুযোগ বুঝে ইচ্ছামতো ভাড়া চাইছেন অটোচালকরা। আর এবার পছন্দমতো জায়গায় বিশ্বকর্মা পুজো করতে দেওয়ার দাবিতে অটো বন্ধই করে দিলেন তাঁরা। বুধবার সকাল থেকে বেহালা থেকে টালিগঞ্জ মেট্রো ও রবীন্দ্র সরোবর রুটে বন্ধ অটো। পথে বেরিয়ে নাকাল সাধারণ মানুষ।
[পোস্তা-মাঝেরহাটের জের, সেতু পরীক্ষায় বিদেশি সংস্থা নিয়োগের ভাবনা রাজ্যের]
বেহালা-সহ দক্ষিণ কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে লাইফলাইন মাঝেরহাট ব্রিজ। গত মঙ্গলবার হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে ব্রিজের একাংশ্। বেহালার ট্রাফিক ব্যবস্থা তালগোল পাকিয়ে গিয়েছে। ঘুরপথে চলছে যানবাহন। হাওড়াগামী গাড়িগুলি হাইড রোড, ব্রেসব্রিজ দিয়ে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর কখন দুর্গাপুর ব্রিজ আবার কখনও চেতলা ব্রিজ দিয়ে হাজরায় যাচ্ছে বাস। অপরিসর রাস্তায় নিত্য যানজট লেগেই আছে। গন্তব্যে পৌঁছতে অনেক বেশি সময় লাগছে। স্বাভাবিক কারণেই যাত্রীদের এখন বড় ভরসা অটো। অনেক বেশি ভাড়া দিয়েও অটোতে যাতায়াত করছেন সাধারণ মানুষ। কিন্তু, বুধবার সকাল থেকে বেহালা থেকে টালিগঞ্জ মেট্রো ও রবীন্দ্র সরোবর রুটে অটো বন্ধ রেখেছেন চালকরা। কেন?
আগামী সোমবার বিশ্বকর্মা পুজো। অটোচালকদের দাবি, প্রতিবছর রাস্তার ধারে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় প্যান্ডেল করে বিশ্বকর্মা পুজো করেন তাঁরা। কিন্তু, সেই জায়গাটি দখল করে নিয়েছেন স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী। ওই জায়গায় দোকান খুলেছেন তাঁরা। বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও জায়গাটি খালি করে দিচ্ছেন না। এরই প্রতিবাদে মঙ্গলবার বেহালার দুটি রুটে আংশিকভাবে অটো বন্ধ করে দিয়েছিলেন চালকরা। বুধবার সকাল থেকে পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়। অটো দাঁড় করিয়ে রেখে বিক্ষোভ শামিল চালকরা। এদিকে রাস্তা বেরিয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন নিত্যযাত্রীরা। অটোচালকরা জানিয়েছেন, যতক্ষণ না তাঁদের দাবি মানা হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে অটো।
[ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কলকাতা-সহ গোটা রাজ্য