Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
BGBS 2022

BGBS 2022: ‘আমরা বুলডোজ চাই না, বিভেদ চাই না’, বাণিজ্য সম্মেলনে ঐক্যের বার্তা মমতার

১০ বছরে বাংলাকে অন্যান্য রাজ্যের ধরাছোঁয়ার বাইরে নিয়ে যেতে চান মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০২২, ১৭:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০২২, ১৭:২৬

options
link
BGBS 2022: ‘আমরা বুলডোজ চাই না, বিভেদ চাই না’, বাণিজ্য সম্মেলনে ঐক্যের বার্তা মমতার zoom
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিনিয়োগের আদর্শ ঠিকানা বাংলাই। ব্যবসা এবং লগ্নি করার ক্ষেত্রে অন্যান্য সব রাজ্যের থেকে এগিয়ে বাংলা। রাজ্যের শিল্পবান্ধব পরিস্থিতি তুলে ধরতে গিয়ে বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য (BGBS 2022) সম্মেলনে সম্প্রীতি এবং ঐক্যের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। শিল্পপতিদের উদ্দেশে বললেন, বাংলা বুলডোজারে নয়, ঐক্যে বিশ্বাস রাখে।

উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, কর্ণাটকের মতো রাজ্যগুলিতে নতুন করে বুলডোজার দিয়ে নির্বিচারে একপক্ষের বাড়ি ভেঙে দেওয়ার একটা প্রবণতা ইদানিং চোখে পড়ছে। যে কোনও জায়গায় কোনও সাম্প্রদায়িক অশান্তির ঘটনা ঘটলেই সরকারি নির্দেশেই সেই সব এলাকার ‘অবৈধ’ নির্মাণ ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিজেপি (BJP) শাসিত রাজ্যগুলিতে এই বুলডোজারের শিকার হতে হচ্ছে সংখ্যালঘুদের। খাস রাজধানী দিল্লিও সরকারের এই বুলডোজ নীতির শিকার। দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরীর হিংসার পরে যেভাবে পুরসভার নির্দেশে ওই এলাকায় বুলডোজার চালানো হচ্ছে, তা সব মহলেই নিন্দিত।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: কংগ্রেসকে শেষ হতে দেওয়া যায় না, যত দিন দেশ থাকবে, কংগ্রেস থাকবে: প্রশান্ত কিশোর]

এ রাজ্যে যে সেই পরিস্থিতি নেই, তা বোঝাতে শিল্প সম্মেলনের মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন, “আমরা বুলডোজ চাই না। মানুষে মানুষে বিভেদ চাই না। আমি চাই সবাই একসঙ্গে থাকুক। একতাই আমাদের আসল শক্তি।” মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ঐক্যবদ্ধ থাকলে সংস্কৃতিও শক্তিশালী হয়। কিন্তু বিভেদ থাকলে সেটা হয় না।” মমতা এদিন শিল্পপতিদের জানিয়ে দেন, বাংলার লক্ষ্য শিল্প। তাই শিল্প আনতে সবরকম সাহায্য করতে প্রস্তুত রাজ্য সরকার। তিনি রাজ্যকে এমন এক জায়গায় নিয়ে যেতে চান, যেখানে অন্য রাজ্যগুলি বাংলাকে ছুঁতেও পারবে না। সেজন্য ১০ বছরের একটি লক্ষ্যমাত্রাও বেঁধে দিয়েছেন মমতা।

[আরও পড়ুন: ‘মাত্র দু’দিনে ৩ লক্ষ ৪২ হাজার কোটিরও বেশি বিনিয়োগ প্রস্তাব’, বাণিজ্য সম্মেলনে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর]

যে কোনও রাজ্যে বিনিয়োগের আগে সেই রাজ্যের সামাজিক এবং রাজনৈতিক পরিবেশ কেমন, তা খতিয়ে দেখেন শিল্পপতিরা। আসলে, কোনওরকম রাজনৈতিক পরিবেশ অশান্ত হলে, সেই রাজ্যে বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ। সম্ভবত সেকারণেই মুখ্যমন্ত্রী এদিন বুঝিয়ে দিলেন, বাংলা যেমন শিল্পবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে শিল্পপতিদের সাহায্য করতে প্রস্তুত, তেমনই রাজনৈতিক পরিবেশ শান্ত রাখতেও বদ্ধপরিকর।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.