Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

লাগাতার আন্দোলনের কৌশল বিজেপির, দুপুরে ধর্মতলায় অনশনে কৈলাসরা

সকালে কোর কমিটির বৈঠকে শীর্ষ নেতারা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০১৯, ১৬:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০১৯, ১৬:৩০

options
link
লাগাতার আন্দোলনের কৌশল বিজেপির, দুপুরে ধর্মতলায় অনশনে কৈলাসরা zoom

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘিরে তৈরি হওয়া উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাজ্যের শাসকদলকে চাপে রাখতে পথে নেমে লাগাতার আন্দোলনের কৌশল নিল বিজেপি। একইসঙ্গে নির্বাচন কমিশনারের উপরও চাপ সৃষ্টি করাও উদ্দেশ্য গেরুয়া শিবিরের। সেই মতো বৃহস্পতিবার ধর্মতলায় গান্ধীমূর্তির নিচে দলের অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নেতাদের পাশাপাশি দলীয় সাংসদরাও। থাকবেন রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত দলের কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে শাসকদলের সন্ত্রাসের প্রতিবাদেই আজ এই অনশন কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিজেপি। দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসুর বক্তব্য, “রাজ্যের সন্ত্রাসের বিষয়টি যেমন থাকবে পাশাপাশি বিরোধীদের বাধায় সংসদের বাজেট অধিবেশন ব্যাহত হওয়ার প্রতিবাদে ১২ এপ্রিল বিজেপি দেশব্যাপী অনশন কর্মসূচি করছে। প্রধানমন্ত্রীও তাতে অংশ নিচ্ছেন। কলকাতার অনশন কর্মসূচিতে সেই বিষয়টিও থাকবে।”

[শাসনে বিজয় মিছিলের মধ্যে খুন তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি, আততায়ীকে পিটিয়ে মারল জনতা]

দলের যে সকল প্রার্থী মনোনয়ন দিতে পারেননি তাঁরা যাতে মনোনয়ন জমা দিতে পারেন সেটা নির্বাচন কমিশনকে সুনিশ্চিত করতে হবে। মূলত এই দাবি নিয়ে হাই কোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ বিজেপি। মনোনয়নের মেয়াদ বৃদ্ধির নির্দেশ প্রত্যাহার করে নির্বাচন কমিশনার মনোনয়নের বিষয়টি সুনিশ্চিত করার জন্য সুপ্রিম কোর্টের রায়ের নির্দেশ অমান্য করেছেন বলেও দাবি বিজেপি নেতাদের। সবটাই রাজ্যের শাসকদলের চাপে হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের। এই পরিস্থিতিতে সন্ত্রাসের অভিযোগকে হাতিয়ার করে আইনি পথে ও বিক্ষোভ-অবস্থান-অনশন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে রাজনৈতিকভাবেও একইসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার ও শাসকদলকে আক্রমণের নিশানা করেছেন বিজেপি নেতারা। পঞ্চায়েত নির্বাচনে সবমিলিয়ে ৩৫ হাজারের মতো মনোনয়ন জমা করেছে বিজেপি। রাজ্য নেতাদের দাবি, মনোনয়নের সময় বাড়লে এই সংখ্যাটা অনেক বেশি হত।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বর্তমান পরিস্থিতিতে দলের রাজনৈতিক কৌশল কী হবে তা নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার কলকাতায় শীর্ষ নেতৃত্বকে নিয়ে সকালে কোর কমিটির বৈঠকও করবেন কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। বৈঠকেই দলের পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়টি ঠিক হবে। পঞ্চায়েত ভোটকে ঘিরে রাজ্যে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তার সার্বিক রিপোর্ট কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছেও পাঠিয়েছেন দিলীপ ঘোষরা। কোর কমিটির বৈঠক করে গান্ধীমূর্তির নিচে দলের অনশন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়, দিলীপ ঘোষ, রাহুল সিনহা। থাকবেন সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, জর্জ বেকার।

[প্রাক্তন সাংসদের গাড়ি চেপে বুদ্ধিজীবীরা প্রেস ক্লাবে কেন? বিস্ফোরক মমতা]

এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, “সকলে যাতে মনোনয়নে অংশ নিতে পারে এবং সুষ্ঠু ভোট হয় তা সুরক্ষিত করার জন্যই আমরা আদালতে গিয়েছি। মনোনয়ন যারা দিতে চায় অনলাইনে বা অন্য কোনওভাবে সেটার ব্যবস্থা করা হোক। সময় বাড়ানো হোক। ৩ ও ৫ মের নির্বাচনের জন্য সময় আছে। ১ মে ভোটের দিন সেরকম হলে ৭ মে-ও করা যেতে পারে।” অর্থাৎ, মনোনয়ন যারা দিতে পারেনি তাদের মনোনয়নের বিষয়টি সুনিশ্চিত করতে নির্বাচনের দিন পিছোলেও বিজেপির আপত্তি নেই, সেটা এদিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন দিলীপবাবু। একইসঙ্গে শাসকদলকে তাঁর হুঁশিয়ারি, তৃণমূলের এটাই শেষ যাত্রাপালা চলছে। তারপর দোকান বন্ধ করে দেব। স্ক্রুটিনি পর্বেও বিভিন্ন জেলায় শাসকদল সন্ত্রাস চালাচ্ছে বিজেপি কর্মীদের উপর। পুলিশকে দিয়েও মনোনয়ন প্রত্যাহারে চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রাজ্য নেতাদের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.