Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Bowbazar Blast

রাজ্যের আবেদনে সাড়া, বউবাজার বিস্ফোরণের চক্রী খালিদের মুক্তিতে স্থগিতাদেশ হাই কোর্টের

মেয়াদের আগেই খালিদকে মুক্তির নির্দেশ দেয় আদালত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০২৪, ১৪:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০২৪, ১৪:০৫

options
link
রাজ্যের আবেদনে সাড়া, বউবাজার বিস্ফোরণের চক্রী খালিদের মুক্তিতে স্থগিতাদেশ হাই কোর্টের zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বউবাজার বিস্ফোরণ কাণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত বন্দি মহম্মদ খালিদের মুক্তির জন্য বিবেচনার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। সেই নির্দেশের উপর এবার স্থগিতাদেশ জারি করল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। রাজ্যের আবেদনের ভিত্তিতেই এই নির্দেশ আদালতের।

১৯৯৩ সালের ১৬ মার্চ গভীর রাতে ২৬৭ বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিটের দোতলা বাড়িটি ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণে গুঁড়িয়ে যায়। মৃত্যু হয় ৬৯ জনের। সেই মামলায় একদা কলকাতার সাট্টা কারবারের ‘বেতাজ বাদশা’ রশিদ খানের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। বলা হয়, রশিদ খানের কাছে যে পরিমাণ বিস্ফোরক ছিল, তা গোটা কলকাতা উড়িয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। মহম্মদ খালিদ সেই রশিদের ছায়াসঙ্গী। ওই মামলায় তাঁকেও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় আদালত। কয়েক বছর আগে খালিদ জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার দাবিতে রাজ্য সরকারের ‘সেনটেন্স রিভিউ বোর্ডে’ আবেদন করে। সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায়। এর পর আদালতের দ্বারস্থ হয় খালিদ (Mohammad Khalid)।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: অজ্ঞাতপরিচয় দেহ চিনতে ভরসা দাঁত! লালবাজারে সংগ্রহশালা]

খালিদের দাবি ছিল, তিন দশকের জেলজীবনে তাঁর চারিত্রিক পরিবর্তন হয়েছে। তাতে আদালত জানায়, ১৫ দিনের মধ্যে খালিদকে মুক্তি দেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিক সেনটেন্স রিভিউ বোর্ড। বলে রাখা ভালো, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিতদের মুক্তি দিতে রাজ্য সরকারের একটি ‘সেনটেন্স রিভিউ বোর্ড’ বা সাজা পুনর্বিবেচনা পর্ষদ রয়েছে। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া বন্দির আচার-ব্যবহার কেমন, কতটা বদল হয়েছে তাঁর মানসিকতার, তিনি যে-অপরাধে জেল খাটছেন, সেই সাজা এত দিনে যথেষ্ট হয়েছে কি না ইত্যাদি বিষয় তাঁর মুক্তির ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত সাজা খাটার ১৪ বছর পরে সরকারের সাজা পুনর্বিবেচনা পর্ষদ সংশ্লিষ্ট বন্দির মুক্তির বিষয়টি পর্যালোচনা করে। খালিদের ক্ষেত্রে জেলযাত্রার পর ৩১ বছর কেটেছে। সেটা বিবেচনা করেই ১৫ দিনের মধ্যে তাকে মুক্তির নির্দেশ দেয় আদালত। সেই নির্দেশের উপরেই স্থগিতাদেশ জারি করল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।

[আরও পড়ুন: ‘কেউ নাগরিকত্ব খোয়ালে আমি থুতু চাটব’, CAA নিয়ে চ্যালেঞ্জ মিঠুনের]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.