সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্যানেল প্রকাশ না করে কেন এসএমএস বা ইমেল করে চাকরির কথা জানানো হল সফল পরীক্ষার্থীদের? বুধবার কলকাতা হাই কোর্ট প্রাথমিক শিক্ষকদের নিয়োগ সংক্রান্ত একটি মামলার প্রেক্ষিতে এই কথাই জানতে চাইল। বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় এই নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের কাছে হলফনামা চেয়ে পাঠালেন।
(ভারতীয় বাযুসেনাকে অজেয় করতে হ্যালের এক ডজন পদক্ষেপ)
টেট উত্তীর্ণ প্রশিক্ষিত প্রার্থীরা হাই কোর্টে একটি মালা দায়ের করে অভিযোগ তোলেন, প্যানেল প্রকাশ না করে এসএমএস বা ইমেল করে চাকরির খবর জানানোয় শিক্ষক নিয়োগে বেনিয়ম হয়েছে। মামলাকারীদের আইনজীবী এদিন আদালতকে জানান, এনসিটিইর আইন মেনে তালিকা প্রকাশ করেনি পর্ষদ। অভিযোগকারী আইনজীবীর দাবি, প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়ে প্রচুর অবৈধ টাকা দেওয়া-নেওয়া হয়েছে। তাই এই নিয়োগ বাতিল বলে ঘোষণা করা হোক। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর প্যানেল প্রকাশে এমন রাখঢাক কেন, সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন চাকরিপ্রার্থীরা৷
(ফিরে আসছে নোকিয়া ৩৩১০, দাম জানলে এখনই কিনতে চাইবেন!)
নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রথম থেকেই অস্বচ্ছতা রয়েছে বলেও সন্দেহ প্রকাশ করেন বহু টেট উত্তীর্ণ৷ পর্ষদের প্যানেল প্রকাশ করা নিয়ে একাধিক প্রশ্নের সন্তোষজনক জবাব পেতে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন প্রশিক্ষিত প্রার্থীরা৷ বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এরকম গুরুতর অভিযোগের জবাব দেওয়া উচিত পর্ষদের। তখনই পর্ষদের আইনজীবী আদালতের কাছে সময় চেয়ে নেন। এরপরই আদালত পর্ষদকে এহেন গুরুতর অভিযোগের জবাব দিতে নির্দেশ দেয় আদালত।