সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়: ভোটের দামামা বাজতেই শহরে শুরু হয়ে গেল রাজনৈতিক সংঘর্ষ। শুক্রবার পোস্টার লাগানো এবং ফেস্টুন টাঙানোকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল দক্ষিণ কলকাতা। এর ফলে শুক্রবার তৃণমূল ও বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ শুরু হয়। লোকসভা ভোট ঘোষণা হতে শহরে এটিই প্রথম রাজনৈতিক সংঘর্ষ। এই সংঘর্ষে বিজেপির দু’জন কর্মী জখম হন। দু’দলের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছয়। নামানো হয় র্যাফ ও কমব্যাট ফোর্স।
রাজ্যজুড়ে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ তুমুল বৃষ্টি, বুদবুদে বাজ পড়ে মৃত ২
এদিকে সকালে টালিগঞ্জে চন্দ্র মণ্ডল লেনে পোস্টার লাগানো ও ফেস্টুন টাঙানোর কাজ চলছিল। দক্ষিণ কলকাতা লোকসভা কেন্দ্রে নিজেদের দলীয় প্রার্থীদের হয়ে এই কাজ করছিলেন তৃণমূল ও বিজেপির কর্মী ও সমর্থকরা। সেই সময় দু’পক্ষের মধ্যে প্রথমে শুরু হয় কথা কাটাকাটি। এরপর শুরু হয় তুমুল মারামারি। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রথমে টালিগঞ্জ থানা থেকে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। এরপর পুলিশের বাহিনীর সংখ্যা আরও বাড়ানো হয়। এই সংঘর্ষে জখম হন বিজেপি কর্মী রবিশংকর সামন্ত (৪৪) এবং অভিজিৎ চক্রবর্তী (৪৪)। রবিশংকরের বাড়ি টালিগঞ্জ রোডে। নিউ আলিপুরের সাহাপুর কলোনির বাসিন্দা অভিজিৎ চক্রবর্তী। আহত দু’জনকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে এমআর বাঙুর হাসপাতালে। এই ঘটনায় বিজেপির দক্ষিণ কলকাতা জেলা কমিটির সভাপতি এন মোহন রাও পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন।
‘সর্বোচ্চ নেতৃত্বের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত’, প্রার্থীতালিকা নিয়ে বিক্ষোভে জল ঢালার চেষ্টা দিলীপের
এমনিতেই নির্বাচনী মরশুমে শহরে ছোটখাট অশান্তি লেগে থাকে৷ রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে সংঘর্ষও নতুন কিছু নয়৷ তবে প্রচার সবে শুরু হতেই এমন ঘটনায় কিছুটা আতঙ্কের পরিবেশ ওই এলাকায়৷ তবে এবছর ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে এসেছে রাজ্যে৷ কলকাতার কোথাও কোথাও রুটমার্চ করেছেন বাহিনীর জওয়ানরা৷ কোনও জায়গায় যে কোনও রকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি হলেই, তা নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় বাহিনীর থাকাই প্রত্যাশিত৷