সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘কে বলে গো সেই প্রভাতে নেই আমি…’! ৪৫ বছর হয়ে গেল তিনি নেই। তবু তিনি রয়ে আছেন। আরও আরও বেশি বেশি করে। তিনি উত্তমকুমার। আজও জনপ্রিয়তায় তাঁর ধারেকাছে ঘেঁষতে পারেননি কোনও নায়ক। বাঙালির ভালোবাসার শিকলে হৃদয়বন্দি মহানায়ক তিনি। ১৯৮০ সালের ২৪ জুলাই তাঁর শারীরিক জীবনের অবসান ঘটেছিল। উত্তমকুমারের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে শ্রদ্ধা জানালেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
মহানায়ক উত্তমকুমার-এর মৃত্যু বার্ষিকীতে তাঁকে জানাই আমার অন্তরের শ্রদ্ধা।
Advertisementআমাদের সবার মনের মণিকোঠায় আজও উত্তমকুমার বাঙালির চিরন্তন ম্যাটিনি আইডল। তাই তাঁর মৃত্যুর পর ৪৫ বছর কেটে গেলেও, তাঁর প্রতি অনুরাগ আমাদের কিন্তু এতটুকুও কমেনি।
আমি গর্বিত, সিনেমায় ও বাঙালি মননে…
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) July 24, 2025
এক্স হ্যান্ডেলে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, “মহানায়ক উত্তমকুমার-এর মৃত্যু বার্ষিকীতে তাঁকে জানাই আমার অন্তরের শ্রদ্ধা। আমাদের সবার মনের মণিকোঠায় আজও উত্তমকুমার বাঙালির চিরন্তন ম্যাটিনি আইডল। তাই তাঁর মৃত্যুর পর ৪৫ বছর কেটে গেলেও, তাঁর প্রতি অনুরাগ আমাদের কিন্তু এতটুকুও কমেনি।” উত্তমকে শ্রদ্ধা জানাতেই যে তাঁর নামে পুরস্কার চালু করেছে রাজ্য সরকার সেকথাও উল্লেখ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লেখেন, “আমি গর্বিত, সিনেমায় ও বাঙালি মননে উত্তমকুমারের অনন্য অবদানকে শ্রদ্ধা জানিয়ে আমাদের সরকারই ২০১২ সাল থেকে বিশিষ্ট অভিনেতা-অভিনেত্রীদের স্বীকৃতি জানানোর জন্য মহানায়ক সম্মান পুরস্কার চালু করেছে। আমি রেলমন্ত্রী থাকার সময়ই টালিগঞ্জ মেট্রো রেলস্টেশনের নাম পাল্টে রাখা হয় ‘মহানায়ক উত্তমকুমার’। তাঁর নামাঙ্কিত ‘উত্তম মঞ্চ’-কেও নতুন করে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে।” আবেগঘন পোস্টে মমতা আরও লেখেন, “উত্তমকুমার বাঙালির স্বপ্নের মহানায়ক – চিরকালীন ভালোবাসা। তাঁর মৃত্যুদিনে আমি আর একবার তাঁকে আমার প্রণাম জানাই।”
অরুণকুমার চট্টোপাধ্যায় ওরফে উত্তমকুমারের জন্ম ১৯২৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর। অর্থাৎ কিনা চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাস থেকে শুরু হচ্ছে মহানায়কের জন্মশতবার্ষিকী। সেই উপলক্ষে হবে তাঁর চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, আলোচনাসভা, গ্রন্থপ্রকাশ ইত্যাদি। তার ঠিক আগে বাঙালির সামনে এসে দাঁড়াল উত্তমের হঠাৎ চলে যাওয়ার মনখারাপ করা দিনটি।