সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলাজুড়ে ‘দিদি’র জয়গান। ছাব্বিশের নির্বাচনে রাজ্যে যে সবুজঝড় বইবে, মোটের উপর তা নিয়ে নিশ্চিত সকলেই। এসবের মাঝেই তৃণমূলের অন্যতম রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ দাবি করলেন, জ্যোতি বসুর মুখ্যমন্ত্রিত্বের রেকর্ড ভেঙে দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে ২০২৯-এর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন বলেও ভবিষ্যদ্বাণী কুণালের। সেক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, জানিয়ে দিলেন তাঁর নামও।
কালীপুজোর সকালে এক হ্যান্ডেলে বাংলার রাজনীতির ভবিষ্যৎ কী, তা নিয়ে একটি পোস্ট করেন কুণাল ঘোষ। লেখেন, ‘জনভিত্তিহীন নাটকবাজ বিরোধীপক্ষ এবং ঈর্ষাকাতর, অবসাদগ্রস্ত, হতাশ কিছু কুৎসাকারীকে এক নাগরিক হিসেবে বলে রাখি-জ্যোতি বসুর মুখ্যমন্ত্রিত্বের রেকর্ড ভেঙে দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০৩৬ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী তিনিই। ওই সময়টার আগেপরে থেকে তাঁর আশীর্বাদে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রিত্ব শুরু।(এর মধ্যে ২০২৯-এ যদি মমতাদি প্রধানমন্ত্রী হন, তাহলে আলাদা কথা)বিরোধীরা মিডিয়া, সোশ্যাল মিডিয়াতেই থাকুন। তৃণমূল নবান্নে সুন্দর, বিরোধীরা ফেসবুকে।’
জনভিত্তিহীন নাটকবাজ বিরোধীপক্ষ এবং ঈর্ষাকাতর, অবসাদগ্রস্ত, হতাশ কিছু কুৎসাকারীকে এক নাগরিক হিসেবে বলে রাখি-
জ্যোতি বসুর মুখ্যমন্ত্রিত্বের রেকর্ড ভেঙে দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 2036 পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী তিনিই। ওই সময়টার আগেপরে থেকে তাঁর আশীর্বাদে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের…
— Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) October 20, 2025
কুণাল ঘোষের এই পোস্ট ঘিরে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ খোঁচা দিয়ে বলেন, “সজ্ঞানে বলে থাকলে একটা টিয়াপাখি কিনে দেব!” প্রসঙ্গত, ১৯৭৭ সালে প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী হল জ্যোতি বসু। ২০০০ সাল পর্যন্ত অর্থাৎ ২৩ বছর মুখ্যমন্ত্রিত্ব সামলেছেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১১ সালের ২০ মে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তাই জ্যোতি বসুর রেকর্ড ভাঙতে ২০২৬ ও ২০৩১-এর নির্বাচনে জিততে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।