Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Dilip Ghosh

খুলে নেওয়া হয়েছিল ঘরের এসি! সেই দিলীপই বিধানসভায় গেরুয়া বিধায়কদের ‘স্যর’, বঙ্গ বিজেপির রাশ কার হাতে?

শুভেন্দুর পাশে বসে দিলীপ ঘোষের এই সক্রিয়তা রাজনীতি কারবারিদের চোখ টেনেছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৮, ২০২৫, ১৯:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৮, ২০২৫, ১৯:০১

options
link
খুলে নেওয়া হয়েছিল ঘরের এসি! সেই দিলীপই বিধানসভায় গেরুয়া বিধায়কদের ‘স্যর’, বঙ্গ বিজেপির রাশ কার হাতে? zoom
বিধানসভায় পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারী এবং দিলীপ ঘোষ। নিজস্ব চিত্র

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: খুইয়েছিলেন পদ! দলীয় কার্যালয়ের ঘর থেকে খুলে নেওয়া হয়েছিল নেমপ্লেট। এমনকী সেই ঘরের এসি-টিভিও খুলে নেওয়া হয়েছিল। সবমিলিয়ে দলের অন্দরেই কার্যত কোণঠাসা হয়ে পড়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে আচমকা ভোলবদল! মঙ্গলবার অন্য ভূমিকায় দেখা গেল দিলীপকে। বিধানসভায় বিজেপি বিধায়কদের ‘ক্লাস’ নিলেন তিনি। যা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তবে কি তাপসী মণ্ডলের দলবদলের পর থেকেই শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্ব নিয়ে সন্দিহান দলীয় নেতৃত্ব? আর তাই ধীরে ধীরে বঙ্গ বিজেপির রাশ হাতে নিচ্ছেন দিলীপ ঘোষ?

কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে এদিন সকালে বিধানসভায় হাজির হন দিলীপ। শুভেন্দু অধিকারীর ঘরে উপস্থিত হন। সূত্রের দাবি, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশেই দিলীপকে আমন্ত্রণ করেছিলেন বিরোধী দলনেতা। বিধানসভায় সন্দেশ এনেছিলেন দিলীপ। সেই সন্দেশ খান শুভেন্দু। তারপর দীর্ঘ আলাপ আলোচনা দুজনের মধ্যে। উপস্থিত ছিলেন বিজেপির অন্য বিধায়করাও। তাঁদের ‘ক্লাস’ নেন দিলীপ। জনসংযোগের পাঠ দেন তিনি। বলেন, চা চক্র করতে হবে। বাজারে বেরতে হবে। মানুষের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতে হবে। মোট কথা, যেখানে যে ওষুধ কাজে লাগে তা ব্য়বহার করতে হবে। শুভেন্দুর পাশে বসে দিলীপ ঘোষের এই সক্রিয়তা রাজনীতির কারবারিদের চোখ টেনেছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উনিশে বাংলায় চোখ ধাঁধাঁনো ফল করেছিল বঙ্গ বিজেপি। তখন রাজ্যের গেরুয়া শিবিরের হাল ছিল দিলীপ ঘোষের হাতে। কিন্তু একুশে সেইমতো ফল হয়নি। এরপর রাজ্য বিজেপির সভাপতি বদল করা হয়। দিলীপের হাত থেকে ব্যাটন যায় সুকান্ত মজুমদারের হাতে। এদিকে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হন শুভেন্দু। তারপর থেকেই ক্রমে অস্তাচলে দিলীপ-রাজ। শুভেন্দু-সুকান্তদের সঙ্গে ক্রমে দূরত্ব বাড়ছিল দিলীপ ঘোষের। দলেও কোণঠাসা হচ্ছিলেন। তবে ছাব্বিশের আগে আচমকাই পুনরুত্থান তাঁর। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে বিধানসভায় হাজির হয়ে ‘ভোকাল টনিক’ দিলেন। দিন কয়েক আগে তৃণমূলে ফিরে যান হলদিয়ার বিধায়ক তাপসী মণ্ডল। শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরেই বিজেপিতে এসেছিলেন তিনি।

ওয়াকিবহাল মহলের প্রশ্ন, তাপসীর দলবদলই কি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রশ্নের মুখে ফেলে দিল শুভেন্দু অধিকারীর যোগ্যতাকে? নিখিল রাজ্য নেতা হতে ব্যর্থ হলেন তিনি? তাঁর বদলে ফের দিলীপ ঘোষ চলে এলেন আলোচনার কেন্দ্রে? তবে কি তিনিই বঙ্গ বিজেপির পরবর্তী রাজ্য সভাপতি? এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে দিলীপ ঘোষ বলেন, “দুটো ইনিংস খেলে ফেলেছি। তবে যে কোনও নতুন ইনিংসের জন্য সব সময় প্রস্তুত থাকি।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.