Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

সেন্ট্রাল জেলে মাদক পাচার মামলায় জামিন মঞ্জুর কলেজ ছাত্রীর

কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারগুলির নিরাপত্তার নিয়ে উঠছে প্রশ্ন৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৩, ২০১৮, ২০:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৩, ২০১৮, ২০:৫৪

options
link
সেন্ট্রাল জেলে মাদক পাচার মামলায় জামিন মঞ্জুর কলেজ ছাত্রীর zoom

আকাশনীল ভট্টাচার্য: দমদম সেন্টাল জেলে মাদক পাচারের ঘটনায় ধৃত কলেজ ছাত্রীকে জামিন দিল বারাকপুর আদালত৷ এপিসি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী সুস্মিতা মালাকারের কাছ থেকে পাওয়া গিয়েছে মাত্র ২৯৫ গ্রাম মাদক৷ সেই কারণেই জামিন হয়েছে বলে, আদালত সূত্রে খবর৷ তাঁর জেলবন্দি প্রেমিক ভগীরথ সরকারকে মাদক পাচার করতে গিয়ে মঙ্গলবারই পাকড়াও হয় এই কলেজ ছাত্রী৷ তাকে দমদম থানার হাতে তুলে দেয় জেল কর্তৃপক্ষ৷ বুধবার তাঁকে তোলা হয় বারাকপুর এসজেএম ইনচার্জের এজলাসে৷ মাদকের পরিমাণ অত্যন্ত কম থাকায় তার জামিনের আরজি মকুব হয়ে যায়৷

[প্রথমবার মহিলাদের ইফতারের ব্যবস্থাপনায় কলকাতার টিপু সুলতান মসজিদ]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা গিয়েছে, মাদক পাচারের অভিযোগে বছর দুই আগে উত্তর ২৪ পরগনা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ভগীরথ সরকারকে৷ বিচারাধীন এই বন্দিকে রাখা হয় দমদম সেন্ট্রাল জেলে। মঙ্গলবার দেখা করতে আসে তার বান্ধবী সুস্মিতা মালাকার। বারাসতের বাসিন্দা সুস্মিতা এপিসি কলেজের দ্বিতীয়বর্ষের ছাত্রী। সে সঙ্গে করে নিয়ে আসে একটি ট্যালকম পাউডার ও দু’টি তেলের শিশি। চেকিংয়ের সময় পাউডারের কৌটো দেখে কর্তব্যরত রক্ষীদের সন্দেহ হয়। তাঁদের মনে হয় কৌটোটি যেন আলাদা করে পরে জোড়া লাগানো হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে তা খুলতেই ভিতরে মেলে গাঁজার হদিশ। এরপরেই পাকড়াও করা হয় সুস্মিতাকে৷ তুলে দেওয়া হয় দমদম থানার হাতে৷

[মাছ-ভাতকে এবার বিশ্বের বাজারে তুলে ধরছে রাজ্য সরকার]

প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে এমনই ঘটনা ঘটে আলিপুর সেন্ট্রাল জেলেও৷ ভিতরে গাঁজা, মদ ও মোবাইল পাচার করতে ধরা পড়ে যায় আলিপুর সেন্ট্রাল জেলের চিকিৎসক আমিতাভ চৌধুরি। তাঁর স্টেথোস্কোপের ব্যাগ থেকে উদ্ধার হয় দু’কেজি গাঁজা। শুধু তাই নয় ছোট্ট ব্যাগটি থেকেই পাওয়া যায় প্রায় ৪০টি মোবাইল। জলের বোতল হিসেবে যা আনা হয়েছিল, তাতেও মেলে মদ। ঘটনার পর তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় জেল চত্বরে। গ্রেপ্তার করা হয় চিকিৎসককে। সেই ঘটনার পর বিভিন্ন জেলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া হয়। কিন্তু তার কয়েকদিনের মাথায় দমদম সেন্ট্রাল জেলেও একই ঘটনা ঘটায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারগুলির নিরাপত্তার বিষয়ে৷

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.