Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
fake voters

ভুয়ো ভোটার তাড়াতে নয়া দাওয়াই নির্বাচন কমিশনের, তৃণমূলের লাগাতার চাপের ফল?

অতিরিক্ত দায়িত্ব পেলেন ইলেক্টরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসাররা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৭, ২০২৫, ২২:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৭, ২০২৫, ২২:০৭

options
link
ভুয়ো ভোটার তাড়াতে নয়া দাওয়াই নির্বাচন কমিশনের, তৃণমূলের লাগাতার চাপের ফল? zoom

সুদীপ রায়চৌধুরী: তৃণমূলের লাগাতার চাপের মুখে ভুয়ো ভোটার তাড়াতে দাওয়াই দিল নির্বাচন কমিশন! ভূতুড়ে ভোটার খুঁজে বার করতে নিজস্ব সফটওয়‌্যারে নতুন অপশন চালুর সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। যার সাহায্যে কোনও নির্দিষ্ট এপিক নম্বরে একাধিক নাম থাকলে তার হদিশ পাবেন ইআরও। পাশাপাশি অতিরিক্ত দায়িত্ব পেলেন ইলেক্টরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসাররা। 

কমিশন সূত্রে খবর, এতদিন রাজ্য নির্বাচনী আধিকারিক বা জেলায় ইআরও-রা নিজ রাজ্যের ভোটারদের পরিচয়পত্র বা এপিক দেখতে পারতেন না। তাই এ র‍াজ্যের সঙ্গে অন্য রাজ্যের ভোটারদের এপিক নম্বর মিলে যাওয়ার খবর নজরে আসেনি মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরের। এবার সেই বাধা থাকছে না। 

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সোমবার রাজ্যের প্রত্যেক জেলার প্রশাসনের সঙ্গে ভিডিও বৈঠক করে এ কথা জানিয়ে দিয়েছেন রাজ্যের ভারপ্রাপ্ত মুখ‌্য নির্বাচন আধিকারিক দিব্যেন্দু দাস। কমিশন সূত্রে খবর, দেশের অন‌্য রাজ্যের মুখ‌্য নির্বাচন আধিকারিকদেরও এই নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। সোমবারই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের চিঠি দিয়ে ‘ডুপ্লিকেট এপিক নম্বর’ সংশোধনের নয়া মডিউল জানানো হয়েছে। আগামী শুক্রবার অর্থাৎ ২১ মার্চের মধ্যে সংশোধন শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ভোটার তালিকায় ‘ভূতুড়ে’ ভোটার ধরতে নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটার তালিকায় হাতে ব্লকে ব্লকে ‘ভূতুড়ে’ ভোটার খুঁজতে নেমেছেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। ১১ মার্চ ১০ সাংসদের এক প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়। সেই প্রতিনিধি দলে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও ব্রায়েনের মতো সিনিয়র সাংসদরা ছিলেন। বৈঠক শেষে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে ইস‍্যু তুলেছিলেন, সেই বিষয়টা বলেছি। একটি এপিক নম্বরে একাধিক ব‍্যক্তির নাম আছে। একটা এপিক কার্ডে একাধিক ভোটার থাকলে সেটা অবৈধ। দুই জেলার দুজন লোকেরও একই এপিক নম্বর। এটা বেআইনি। তাঁরা তো আলাদা দফার ভোটে এসে ভোট দিতে পারবেন। নির্বাচন কমিশনের ২৮ নম্বর রুলেই উল্লেখ আছে, একটা এপিক নম্বরে একজনই ব‍্যক্তি থাকবে।” বিষয়টি নিয়ে কমিশনের উপর ক্রমাগত চাপ বাড়িয়েছে তৃণমূল। শেষমেশ এদিন কঠোর পদক্ষেপ করতে বাধ্য হল কমিশন, মত রাজনৈতিক মহলের। 

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.