সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের বিতর্কে এসএসকেএম হাসপাতাল। অপারেশন থিয়েটার না পেয়ে চেয়ারে বসিয়ে রোগীর অস্ত্রোপচারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য শহরে। গণধর্ষণের শিকার এক নাবালিকার জটিল অস্ত্রোপচারের জন্য ওটি জুটল না রাজ্যের অন্যতম সেরা সুপারস্পেশ্যালিটি হাসপাতালে। প্রশ্নের মুখে কর্তৃপক্ষ। কেন এমন ঘটনা ঘটল তা নিয়ে শোরগোল পড়েছে ওয়াকিবহাল মহলে। আড়াই ঘন্টার জটিল অস্ত্রোপচারের পর এখন সুস্থ রয়েছে বাঁকুড়ার ওই নির্যাতিতা।

[ডিসেম্বরের কড়া শীতে জোড়া কার্নিভাল, নববর্ষের উচ্ছ্বাসের গন্তব্য দিঘা]
জানা গিয়েছে, গণধর্ষণের সময় কোনওভাবে মেঝেয় মাথা ঠুকে ডান চোখের নিচের হাড় কোটরে ঢুকে যায় ওই নির্যাতিতার। এর ফলে কিশোরীর ইনফ্রা ওরবিটাল রিম ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। ধর্ষণের সময় দুষ্কৃতীরাই মাথা ঠুকে দেয় ওই নির্যাতিতার। তারপর তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়ে আসা হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। হাসপাতালের প্ল্যাস্টিক সার্জারি বিভাগ তাকে রেফার করে এনসিবি বিভাগে। সেখানেই ভরতি ছিল কিশোরী। তারপর অস্ত্রোপচারের জন্য তাকে ডেন্টাল বিভাগে পাঠানো হয়। ডেন্টাল বিভাগ ওটি চায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষর কাছে। কিন্তু হাসপাতাল তা দিতে অপারগ হয়। জানা যায়, আগে থেকেই নাকি সার্জনরা বুক করে রেখেছিলেন ওটি। দ্রুত অস্ত্রোপচার না করলে বাঁচানো যেত না ওই নির্যাতিতাকে। তাই উপায়ন্তর না দেখে চেয়ারে বসিয়েই এই জটিল অস্ত্রোপচার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। লোকাল অ্যানাস্থেশিয়া করে প্রায় আড়াই ঘণ্টা চেয়ারে বসিয়ে ওই নির্যাতিতার অস্ত্রোপচার করা হয়। তার চোখে টাইটেনিয়াম বোন প্লেট বসানোর পরে সুস্থ হয়ে ওঠেন ওই নির্যাতিতা। তাকে বাঁকুড়া ফেরত পাঠানো হয়েছে।

কিন্তু প্রশ্ন হল, এসএসকেএম-এর মতো হাসপাতালে এমন ঘটনা ঘটল? জটিল অস্ত্রোপচারের জন্য ন্যূনতম অপারেশন থিয়েটারের বন্দোবস্ত করা গেল না কেন, প্রশ্ন উঠেছে ওয়াকিবহাল মহলে।
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন