অর্ণব আইচ: ভুয়ো রেজিস্ট্রিশন নম্বর ব্যবহার করে রোগী দেখেন তিনি। পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন রোগীদের পরিবারের সদস্যরা। শেষপর্যন্ত রোগীর ছদ্মবেশেই রিজেন্ট পার্ক থেকে এক জাল ডাক্তারকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ।
[অনুপস্থিত সরকারি ডাক্তারদের নিয়ে এবার রাজ্যের ‘সেনসাস’]
অভিযুক্তের নাম সাধন গোস্বামী। টালিগঞ্জের রানিকুঠিতে চেম্বার ছিল তাঁর। একাধিক রোগীর পরিবারের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, ১৯৮৫ সালের একটি রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করতেন সাধন। ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনে খোঁজ নিয়ে জানা দিয়েছে, রেজিস্ট্রেশন নম্বরটি ভুয়ো। এদিকে পুলিশি তদন্ত শুরু হতে রাতারাতি রানিকুঠির চেম্বারটি বন্ধ করে দেন সাধন গোস্বামী। টালিগঞ্জের ম্যুর অ্যাভিনিউতে নতুন চেম্বার খোলেন ওই ভুয়ো চিকিৎসক। সোমবার রাতে রোগীর ছদ্মবেশে সেই চেম্বারে হানা দেয় পুলিশ। ধরা পড়ে যায় অভিযুক্ত।
দিন কয়েক আগে এক ভুয়ো চিকিৎসকের হদিশ পাওয়া গিয়েছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে। বছর দুয়েক ধরে সোনারপুরের আদর্শনগরে চেম্বার খুলে ডাক্তারি রাকেশ মণ্ডল নামে এক ব্যক্তি। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তাঁর প্রেসক্রিপশনে লেখা ওষুধ খেয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এক তরুণী। তাঁকে ভরতি করতে হয় হাসপাতালে। পরিবারের লোকেদের দাবি, হাসপাতালে চিকিৎসকরা জানান, ভুল চিকিৎসার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন ওই তরুণী। এরপরই অভিযুক্ত রাকেশ মণ্ডলকে বেধড়ক মারধর করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে সোনারপুর থানার পুলিশ।
[মৃত মহিলাকেই হাসপাতালে ভরতির নিদান শহরের চিকিৎসকের, কেন জানেন?]