নব্যেন্দু হাজরা: লকডাউনের মাঝে আমজনতার মাথাব্যথা হয়ে দাঁড়িয়েছে বর্ধিত বাসভাড়া। গোদের উপর বিষফোঁড়ার মত এবার ট্যাক্সি ভাড়াও বাড়ছে। হলুদ ট্যাক্সির ভাড়া একধাক্কায় ৩০ শতাংশ বাড়ানো হচ্ছে বলে খবর। এই নয়া ঘোষণায় কার্যত মাথায় হাত শহরবাসীর।
তৃতীয় দফা লকডাউন চলাকালীন নিয়মাবলী কিছুটা শিথিল করা হচ্ছে। গ্রিন জোনে ইতিমধ্যে সরকারি বাস চলছে। কুিন্তু ভাড়া নিয়ে অসন্তোষ থাকায় তেমনভাবে বেসরকারি বাস রাস্তায় নামেনি। জরুরি কাজে কয়েকটি ট্যাক্সি চলছিল। এবার আমজনতার কথা ভেবেই বেসরকারি বাস, ট্যাক্সি চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। কিন্তু সামাজিক দূরস্ব বজায় রাখতে যথেচ্ছা যাত্রী তোলা সম্ভব নয়। এদিকে কনটেনমেন্ট জোন বাদে শহরের সর্বত্রই হলুদ ট্যাক্সি চলবে। সেক্ষেত্রে ট্যাক্সিতে চালক ছাড়া মাত্র দুজন যাত্রী থাকতে পারবেন বলে আগেই জানানো হয়েছিল। চালকের পিছনের আসনে দুটি জানলার সামনে দুজন যাত্রী বসবেন। চালকের পাশের আসনে কোনও যাত্রীকে বসানো যাবে না। এমনিতেই লকডাউনে রাস্তায় যাত্রী কম। তাই লোকসান এড়াতে ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। এবার থেকে ট্যাক্সিতে উঠলেই তিরিশ টাকা ভাড়া দিতে হবে। এছাড়া, মিটারে ১০০ টাকা ভাড়া উঠলে, যাত্রীকে দিতে হবে ১৩০ টাকা। এমনই সিদ্ধান্ত নিয়ে শহরের ট্যাক্সি ইউনিয়ন। তবে তাতে সরকারি সিলমোহর পড়তে বাকি।
[আরও পড়ুন: অসন্তোষ উধাও, বেলেঘাটা আইডি’র পরিকাঠামো দেখে বাহবা কেন্দ্রীয় দলের]
বৃহস্পতিবারই বেসরকারি বাসের ভাড়া বাড়ানোরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কলকাতার বেসরকারি বাসে উঠলেই দিতে হবে ২০ টাকা ভাড়া। সর্বোচ্চ ভাড়া হতে পারে ৪৫ টাকা। জানা গিয়েছে, প্রতি চার কিলোমিটার অন্তর পাঁচ টাকা করে ভাড়া বাড়বে। লকডাউনে ফলে
নুন আনতে পান্তা ফুরানোর দশা মধ্যবিত্তের। একদিকে বন্ধ কাজ। কেউ কেউ তো বেতনও পাননি। ফলে ভাড়া বেড়ে যাওয়া সেই দিন আনা দিন খাওয়া মধ্যবিত্তকে বিপাকে পড়তে হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।