অর্ণব আইচ: মাথায় হেলমেট ছিল, কিন্তু রক্ষা পেলেন না বছর ত্রিশের এক তরুণী। তেলের ট্যাঙ্কারের চাকায় পিষ্ট হয়ে প্রাণ গেল তাঁর। শুক্রবার সকালে দুর্ঘটনা ঘটল বেহালার ডায়মন্ডহারবার রোডে।
[মেডিক্যাল কলেজের আউটডোরে ভেঙে পড়ল চাঙড়, আহত ৪]
মৃতার নাম ঝুমা দাস। বাড়ি, বেহালার সরশুনায়। বাসে নয়, স্কুটিতে চলাফেলা করতেই পছন্দ করতেন ঝুমা। আর সেই অভ্যাসই প্রাণ কাড়ল ওই তরুণীর। পরিবারের লোকেরা জানিয়েছেন, শুক্রবার সকালে সরশুনা থেকে স্কুটিতে চেপে বেহালার পাঠকপাড়ায় গিয়েছিলেন ঝুমা। ফেরার পথে ঘটল দুর্ঘটনা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ডায়মন্ডহারবার রোডে বেশ জোরেই স্কুটি চালাচ্ছিলেন ঝুমা। আচমকাই স্কুটিতে ধাক্কা মারে একটি গাড়ি। টাল সামলাতে না পেরে রাস্তা পড়ে যান ওই তরুণী। পিছনেই ছিল একটি তেলের ট্যাঙ্কার। সেটি ওই তরুণীকে পিষে দিয়ে চলে যায়। ঘটনাস্থলেই মারা যান ঝুমা দাস। ঘাতক ট্যাঙ্কার চালকের দাবি, স্কুটি থেকে যে ঝুমা পড়ে গিয়েছেন, তা টের পাননি তিনি। যখন ঘটনাটি বুঝতে পারেন তিনি, ততক্ষণে ট্যাঙ্কারের চাকায় পিষে গিয়েছিলেন ওই তরুণী। এদিকে এই ঘটনার জেরে সকালে ব্যস্ত সময়ে ডায়মন্ডহারবারে সাময়িকভাবে যানচলাচলে ব্যাঘাত ঘটে।
দক্ষিণ শহরতলির অন্যতম ব্যস্ত রাস্তা ডায়মন্ডহারবার রোড। দিনভর গাড়ি চলাচলের বিরাম নেই। রাতের দিকে আবার বড় ট্রাকও চলে। কিন্তু, মেট্রোর কাজের জন্য ডায়মন্ডহারবার রোডের ইতিউতি খোঁড়াখুঁড়ি চলছে। তার উপর মাঝেরহাট ব্রিজ বিপর্যয়ের পর পরিস্থিতি আর ঘোরালো হয়ে ওঠেছে। মাসখানেক আগে স্কুলে যাওয়ার পথে তারাতলায় ডায়মন্ডহারবার রোডে ক্রেনের চাকায় পিষ্ট হয়ে মারা গিয়েছিল অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী।
[ তোলা চেয়ে জেল থেকেই ব্যবসায়ীকে হুমকি ফোন গব্বর-রমেশের