অর্ণব আইচ: বড়বাজার থেকে উদ্ধার ৫০০ কেজি নকল গুঁড়ো দুধ। মিলল নকল গুঁড়ো দুধের কারখানার হদিশ। সঙ্গে গুঁড়ো দুধ তৈরির অন্যান্য সামগ্রীও। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত একজনকে গ্রেপ্তার করেছেন এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের আধিকারিকেরা। বাকিরা পালিয়ে যাওয়ায় তাদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বড় বাজারের রাজাকাটরা এলাকার ১৬৭ নম্বর নেতাজি সুভাষ রোডে।
জানা গিয়েছে, বড়বাজারে নকল গুঁড়ো দুধ তৈরির রমরমা চলছে। গোপনসূত্রে এমনই অভিযোগ এসেছিল লালবাজারের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চে(ইবি)র কাছে। খবর পেয়েই বুধবার গভীর রাতে রাজাকাটরার ওই এলাকায় অভিযান চালান ইবির আধিকারিকরা। ঘটনাস্থল থেকেই এক অভিযুক্তকে পাকড়াও করা হয়। বাকিরা পালিয়ে যায়। কারাখানায় পৌঁছে আধিকারিকদের চক্ষু চড়কগাছ। ঘটনাস্থল ৫০০ কেজি নকল গুঁড়ো দুধ বাজেয়াপ্ত হয়েছে। একই সঙ্গে দুধ তৈরির জন্য মজুত ৫০ কেজি অ্যারারুট ও ৪০ কেজি গুঁড়ো চিনি উদ্ধার হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে গুঁড়ো দুধ প্রস্তুতকারক নামী দুই সংস্থার ফাঁকা প্যাকেটও মিলেছে। সবমিলিয়ে মোট ১১ লক্ষ টাকার সামগ্রী বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
[রাজারহাটে ভস্মীভূত খেলনার গুদাম, এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা]
ইবির আধিকারিকরা জানিয়েছেন, অভিযুক্তরা বাজার থেকে অনামী সংস্থার কিছু দুধ কিনে আনতো। এরপর সেই দুধের সঙ্গে অ্যারারুট ও গুঁড়ো চিনি মিশিয়ে তৈরি হত নকল গুঁড়ো দুধ। তারপর নামী সংস্থার প্যাকেটে ভরে সেই দুধ চলে যেত দোকানে দোকানে। বেশকিছু দিন ধরে এই দুধ বিক্রি করেই পসার জমিয়েছিল অভিযুক্তরা। সম্প্রতি নকল গুঁড়ো দুধে বাজার ছেয়ে যাওয়ায় পুলিশের কাছে বিভিন্ন অভিযোগ আসছিল। এরপরেই শুরু হয় খোঁজ খবর। সূত্র মারফৎ খবর পেয়েই কারখানটি থেকে নকল গুঁড়ো দুধ বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্তের নাম সৌভিক কুণ্ডু। তাকে জেরা করে বাকিদের খোঁজ পাওয়ার চেষ্টা চলছে। ধৃতকে এদিন আদালতে তোলা হলে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে পুলিশ।