সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোস্টারকেই বিকৃত করা হল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। এবার তা নিয়ে কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। যাঁরা এই কাজ করেছে তাঁদের চিহ্নিত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
[ ছাত্র কাউন্সিল বাতিলের দাবিতে যাদবপুরে উপচার্য, সহ উপাচার্যকে রাতভর ঘেরাও ]
সারা বাংলা তৃণমূল শিক্ষাবন্ধু সমিতির যাদবপুর শাখা মুখ্যমন্ত্রীর পোস্টার টাঙায় বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে। কিছুদিন পরেই দেখা যায়, সেখানে মুখ্যমন্ত্রীকে ব্যঙ্গ করে কিছু লেখা হয়েছে। সে ছবি ভাইরাল হযে যায় নেটদুনিয়ায়। তাতেও অবশ্য হুঁশ ফেরেনি। বাড়ে বিকৃতির মাত্রা। শুধু লিখেই ক্ষান্ত নয়, মুখ্যমন্ত্রীর ছবিও বিকৃতি করা হয়। এ ঘটনায় স্পষ্টতই ক্ষুব্ধ শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। আজ এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি জানিয়েছেন, এটা কখনওই সুস্থ সংস্কৃতির পরিচয় নয়। আমি আশা করছি, যাঁরা এই কাজ করছেন, তাঁরা প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে নেবেন। আর তা যদি না হয়, তবে যাঁরা এই কাজ করেছেন নিশ্চিত তাঁদের চিহ্নিত করব। এবং যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
[ বিরিয়ানির সঙ্গে ঘুমের মাদক পাচার হয়েছিল আলিপুর জেলে? ]
পুরো ঘটনায় অসন্তুষ্ট উপাচার্য সুরঞ্জন দাসও। তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রীর ছবি বিকৃতি তো কোনওভাবেই কাম্য নয়। কিন্তু আমি মনে করি, এটা কখনও রাজনৈতিক আন্দোলনের সংস্কৃতি হতে পারে না। প্রতিটি দল তাঁদের মত-আদর্শ অনুযায়ী পোস্টার টাঙাতে পারেন। কিন্তু বিরোধিতা করা মানেই তা ছিড়ে ফেলতে হবে বা বিকৃত করতে হবে তা কখনওই সমর্থন যোগ্য নয়। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনও অবস্থান বিক্ষোভে আন্দোলনকারী ছাত্ররা। অভিযোগের তির মূলত তাঁদের দিকেই। কিন্তু তাঁদের বক্তব্য, এটি একটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা। যে বা যারাই এ কাজ করেছে ঠিক করেনি। কিন্তু এটার উপর ফোকাস করে আমাদের আন্দোলনের যে মূল লক্ষ্য তা থেকেই দৃষ্টি ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
[ বধূ কি ‘ভার্জিন’? সামাজিক অগ্নিপরীক্ষা বন্ধের দাবিতে প্রতিবাদে যুবকরা ]
ছাত্র কাউন্সিল বাতিলের দাবিতে আজও ঘেরাও করে রাখা হয়েছে উপাচার্য ও সহ-উপাচার্যকে। দেশের অন্যতম নামী এই প্রতিষ্ঠানে আজও জারি অচলাবস্থা। তার মধ্যেই বাড়তি বিতর্ক যোগ করল এই পোস্টার বিকৃতি।