সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উল্টোডাঙায় একটি কাঠের গুদামে বিধ্বংসী আগুন। দাহ্য পদার্থ থাকায় দাউদাউ করে ছড়িয়ে পড়ে লেলিহান অগ্নিশিখা। আগুন নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের ৬টি ইঞ্জিন। প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আসে। গুদামটি পুড়ে গিয়েছে। আগুন নিভলেও গুদাম সংলগ্ন বসতির মানুষজন এখনও আতঙ্কিত।
কুয়াশামাখা সকালে ঘুম তখনও ভাঙেনি অনেকেরই। ঘড়ির কাঁটা সবে ৬টা পেরিয়েছে। আচমকা পাশের কাঠের গুদাম থেকে গলগল করে ধোঁয়া বেরতে দেখেন উল্টোডাঙার ক্যানাল ইস্ট রোডের একটি বসতির বাসিন্দারা। তীব্র আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয় ওই বসতিতে। সকলে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন। আগুন যদি ছড়িয়ে পড়ে বসতিতেও, এই আশঙ্কায় ওই জায়গা ছেড়ে যাওয়ার হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। শুরু হয়ে যায় চিৎকার, চেঁচামেচি। আগুন ততক্ষণে গ্রাস করে নিয়েছে গোটা গুদামটি। ছড়িয়ে পড়েছে পাশের গুদামেও। তড়িঘড়ি দমকলে খবর দেওয়া হয়। দমকলের ৬ টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। তবে অত্যন্ত ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় বেশ প্রতিকূলতার মধ্যে পড়তে হয় দমকল কর্মীদের।
[আরও পড়ুন: ফুটপাথে মায়ের কোল থেকে অপহৃত ১১ মাসের শিশু, এখনও অধরা দুষ্কৃতী]
সাতসকালে বসতি লাগোয়া কাঠের গুদামে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ক্যানাল ইস্ট রোডের ঘটনাস্থলে পৌঁছয় উল্টোডাঙা থানার পুলিশ। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন তাঁরা। কাঠ এমনিতেই দাহ্য পদার্থ। ফলে গুদামের প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘিঞ্জি এলাকায় হাজারও প্রতিকূলতা সামলে দমকল কর্মীরা তিন ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। হতাহতের কোনও খবর নেই এখনও। তবে কীভাবে আগুন লাগল কাঠের গুদামে, সেই কারণ এখনও অজ্ঞাত। কারখানার অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা যথাযথ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে আগুন নিভে যাওয়ার পরও বসতিবাসীর মধ্যে আতঙ্ক রয়েছে। দাহ্য কাঠে ফের যদি আগুন ছড়িয়ে পড়ে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে তাঁদের।
[আরও পড়ুন: দর্শকাসনে মোটে শ’দেড়েক লোক! নাম ঘোষণার পরও বক্তব্য না রেখে মঞ্চ ছাড়লেন অভিষেক]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন