সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তাণ্ডব কমল না কিছুতেই। ফের সংশোধনাগারের আধিকারিকের উপর হামলা চালিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল আইএস জঙ্গি মুসার বিরুদ্ধে। প্রেসিডেন্সি সেন্ট্রাল জেলে আজ দুপুরে এই ঘটনায় আহত অমল কর্মকার নামে এক ওয়ার্ডেন। তাঁকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে চিকিৎসার জন্য। এমন ঘটনা ঘটানোর পর মুসাকে অন্যত্র স্থানান্তরিত করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখছে প্রেসিডেন্সি কর্তৃপক্ষ।
বছর খানেক আগেও এমনই কাণ্ড ঘটিয়েছিল খাগড়াগড় বিস্ফোরণ কাণ্ডে অন্যতম জড়িত মসিউদ্দিন মিঞা ওরফে মুসা। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে সেবার আলিপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের আধিকারিকের গলায় ধারালো অস্ত্রের কোপ দিয়ে তাঁকে খুনের চেষ্টা করেছিল। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভরতি না করানো হলে, তাঁর প্রাণসংশয় হত। জানা গিয়েছিল, একটা চামচকে অনেকদিন ধরে সে ধারালো করে তুলেছিল। তা দিয়েই সে আঘাত করেছিল। আর এবার প্রেসিডেন্সি জেলের ১/২২ নং সেল অর্থাৎ যেখানে মুসা ছিল, সেই সেলের দায়িত্বে থাকা আধিকারিক তথা ওয়ার্ডেন অমল কর্মকারকে পাইপ দিয়ে সে এমন মারধর করে যে তাঁর মাথা ফেটে যায়। তড়িঘড়ি তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে।
[আরও পড়ুন: পরীক্ষার ফল খারাপ হওয়ায় বকাঝকা মায়ের, মানসিক অবসাদে আত্মঘাতী ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী]
২০১৩ সালের অক্টোবরে বর্ধমানের খাগড়াগড়ের বিস্ফোরণের পর থেকেই আইএস জঙ্গি মুসার খোঁজে ছিলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। অবশেষে ২০১৭-র জুলাইতে সে ধরা পড়ে সে। প্রথমে সিআইডি-র হেফাজতে থাকলেও, পরে এনআইএ তাকে হেফাজতে নেয়। আলিপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে পাঠানো হয় তাকে। তবে সেখানেই ধারালো অস্ত্রে আধিকারিককে জখম করার পর স্থানান্তরিত করা হয়েছে প্রেসিডেন্সি জেলে। সেখানেও এবার একই ঘটনা। এর তদন্ত শুরু হয়েছে। হেস্টিংস থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি মুসাকে প্রেসিডেন্সি থেকে অন্যত্র স্থানান্তরিত করা হবে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
[আরও পড়ুন: অফিস টাইমে পার্ক স্ট্রিট এলাকায় বাসে যুবতীর শ্লীলতাহানি, কান্নায় ভেঙে পড়লেন নির্যাতিতা]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন