সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিদ্যুৎ ও জলের দাবিতে দিন দুয়েক টানা বিক্ষোভ দেখিয়েছেন স্থানীয় মানুষজন। শনিবার আমফান বিধ্বস্ত এলাকা ঘুরে কাকদ্বীপে প্রশাসনিক বৈঠকে যাওয়ার আগে মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের উদ্দেশে আবেদন করেন, বিক্ষোভ দেখাবেন না। এতে বিদ্যুৎকর্মীদের কাজ করতে অসুবিধা হচ্ছে। কিন্তু তারপরও বিক্ষোভের কারণেই কাকদ্বীপের প্রশাসনিক বৈঠকে যেতেই পারলেন না ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মাঝপথ থেকে ফিরে গেলেন তিনি।
শনিবার দুপুর নাগাদ আকাশপথে আমফান বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনের পর কাকদ্বীপে এই নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন জেলার জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিকদের কর্তাদের নিয়ে। সেখানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়েরও। কিন্তু স্বয়ং সাংসদওই যেতে পারলেন না মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকেই। কারণ, বিদ্যুৎ ও জলের দাবিতে বিক্ষোভ। ঠাকুরপুকুর-সহ একাধিক এলাকায় টানা রাস্তা অবরোধের জেরে আটকে পড়ল তাঁর গাড়ি। বাধ্য হয়েই মাঝপথ থেকে ফিরে গেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
[আরও পড়ুন: আমফান বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনের পথে পুলিশের বাধা, ক্ষুব্ধ দিলীপ ঘোষ]
দুপুর দেড়টার পর মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক বৈঠকে বসে বললেন, ”অভিষেক আসতে পারেনি। ওর গাড়ি আটকে গিয়েছিল বিক্ষোভে। রাস্তা অবরোধ হচ্ছিল, ও জানাল। আমিই ওকে বললাম ফিরে যেতে। তবে ওর এলাকায় কতটা কী ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা জানিয়েছে।” অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ঘটনা থেকেই স্পষ্ট যে টানা তিনদিন ধরে জল, বিদ্যুৎ না পেয়ে মানুষজন এতটাই ক্ষুব্ধ যে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের আবেদন কারও কানেই ঢোকেনি কার্যত। ঘরে বিদ্যুৎ, পানীয় জল সরবরাহ ঠিকমতো না পেলে তাঁরা কোনওভাবেই যে বিক্ষোভের রাস্তা থেকে সরবেন না, প্রয়োজনে সাংসদের গাড়িও আটকাবেন, সেটাই প্রমাণ করে ছাড়লেন বিক্ষুব্ধ আমজনতা।