Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Corporation

কৌশলে কর ফাঁকি রাঘববোয়ালদের! বন্ধ হচ্ছে কলকাতা পুরসভার ‘ওয়েভার’ স্কিম

পুরসভার আর্থিক ক্ষতি রুখতেই সিদ্ধান্ত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৬, ২০২৩, ১১:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৬, ২০২৩, ১১:৪৯

options
link
কৌশলে কর ফাঁকি রাঘববোয়ালদের! বন্ধ হচ্ছে কলকাতা পুরসভার ‘ওয়েভার’ স্কিম zoom

অভিরূপ দাস: বন্ধ হচ্ছে কলকাতা পুরসভার (Kolkata Corporation) বিতর্কিত ‘ওয়েভার’ স্কিম (Waiver Scheme)। বুধবার কলকাতা পৌরসভার মেয়র পরিষদের বৈঠকে তেমনই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। ঠিক হয়েছে আগামী সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত চলবে এই ওয়েভার স্কিম। তারপর অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হবে তা।

বুধবার কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim) বলেন, কলকাতা পৌরসভার রাজস্ব বিভাগের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ওয়েভার স্কিম নিয়ে ব্যর্থতার মুখ দেখছিল কলকাতা পুর প্রশাসন। রাজস্ব খাতে যে পরিমাণ অর্থ আদায় হওয়ার কথা সংশ্লিষ্ট স্কিম থেকে, তা কার্যত হচ্ছিল না। উলটে এই প্রকল্পের সুবিধা নিয়ে অনেক রাঘববোয়ালরা কর ফাঁকি দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন। সূত্রের খবর, স্কিমের সুযোগ নিয়ে অনেকেই নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ কর বাবদ বছরের পর বছর জমা দিতেন না। এরপর সংশ্লিষ্ট স্কিমের মাধ্যমে সামান‌্য টাকা পুরসভায় জমা দিতেন। যে কারণে পুরসভার বিপুল আর্থিক ক্ষতি হচ্ছিল।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ব্যাঘ্র উন্নয়নের কোটি টাকা খরচ কোবিন্দের সফরে, চাকরি গেল অসমের শীর্ষ বন আধিকারিকের]

উল্লেখ‌্য, কলকাতার পুরসভার মেয়র হিসাবে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের আমলে এই ওয়েভার স্কিম প্রকল্প চালু হয়েছিল। ২০১৭-১৮ অর্ধ বর্ষে এই প্রকল্প চালু হয়। মাঝখানে করোনাকাল বাদ দিলে প্রতি অর্থবর্ষে ওয়েভার স্কিম থেকে স্বস্তিজনক টাকা পুরসভার কোষাগারে জমা পড়ত। কিন্তু গত দু’টি অর্থ বর্ষ ধরে তেমন টাকা আদায় হচ্ছিল না।

[আরও পড়ুন: দেশের করোনা গ্রাফে বড় লাফ, ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত ৫ হাজারের বেশি]

ওয়েভার স্কিম অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, বাকি রাখা সম্পত্তি কর যাতে এক লপ্তে নেওয়া হয়, তার জন্য জমা থাকা সম্পত্তি করের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত সুদে ছাড় এবং ৯৯ শতাংশ জরিমানা ছাড় হয়ে যেত। ইচ্ছাকৃতভাবে সময়ে ট‌্যাক্স না নিয়ে অনেকে অযথা এই ছাড়ের সুযোগ নিত। তার ফলে বিপুল পরিমাণ ক্ষতির মুখে পড়ে পুরসভার কোষাগার। সে কারণেই শেষমেশ দীর্ঘ বছর ধরে চলা বিতর্কিত ওয়েভার স্কিম বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.