অর্ণব আইচ: মসুর ডালে মেশানো হচ্ছে নিম্নমানের পাউডার। আর তা শরীরে ঢুকলে হতে পারে ক্যানসার (Cancer), হৃদরোগ বা ফুসফুসের সমস্যা। ডাল পরীক্ষার পর এই বিষয়টি সামনে আসায় কড়া পদক্ষেপ নিল কলকাতা পুলিশের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ (EB)। উল্টোডাঙার ডালপট্টিতে ভেজাল ডাল বিক্রির অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করলেন ইবি আধিকারিকরা। মঙ্গলবার তাকে আদালতে পেশ করা হবে। এই জাল ব্যবসায় আরও কেউ জড়িত কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে ইবি সূত্রে খবর।
[আরও পড়ুন: CAA কার্যকর করতে দেরি কেন? চাপ বাড়িয়ে মোদি-শাহকে চিঠি দিচ্ছে মতুয়ারা]
ডালের মধ্যে পাউডার মিশিয়ে চলছিল ভেজাল মসুর ডালের কারবার। সম্প্রতি পরীক্ষাগার থেকে পাওয়া রিপোর্টে দেখা যায় যে ওই ডাল ভেজাল এবং যে পাউডার মেশানো হয়েছে, তা থেকে হতে পারে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা। আর এভাবেই দিনের পর দিন ভেজাল ডালের ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগে অরবিন্দ জয়সওয়াল নামে এক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করলেন কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) এনফোর্সমেন্ট শাখার গোয়েন্দারা। ইবির ওসি (ফুড) যুগলকিশোর দাঁ’র নির্দেশে এদিন ওই যুবককে পূর্ব কলকাতার উল্টোডাঙার (Ultodanga)ক্যানাল ইস্ট রোড থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে খবর, গত এপ্রিল মাসে উল্টোডাঙার ডালপট্টি গোডাউন থেকে দশটি ব্যাগে তিন কুইন্ট্যাল। উদ্ধার হয় মসুর ডাল। তার সঙ্গে পাওয়া যায় দু’কিলো নিম্নমানের সাদা পাউডার। পরীক্ষাগারের রিপোর্ট অনুযায়ী, মসুর ডাল ঝকঝকে করে তোলার উদ্দেশ্যে এই পাউডার মেশানো হত। কিন্তু তা শরীরের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর। অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যবসায়ী সব জেনেশুনেই এই কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন। গোডাউন থেকে এই ধরনের ভেজাল ডাল কলকাতা ও আশপাশের জেলার বিভিন্ন বাজারে পাঠিয়ে বিক্রি করা হত। মঙ্গলবার ওই ব্যবসায়ীকে শিয়ালদহ আদালতে পেশ করা হবে। ধৃতকে জেরা করে এই কারবারের সঙ্গে যুক্ত থাকা অন্যদেরও সন্ধান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
[আরও পড়ুন: বেসরকারি হাসপাতালের বিল নিয়ে প্রচুর অভিযোগ, রোগীদের পাশে দাঁড়িয়ে কড়া নির্দেশিকা রাজ্যের]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন