Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Gariahat

গড়িয়াহাট জোড়া খুন: সেপটিক ট্যাঙ্কে লুকিয়েও শেষরক্ষা হল না! পুলিশের জালে আরও ১

শিল্পকর্তা খুনের ঘটনায় এখনও পলাতক মূল অভিযুক্ত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৯, ২০২১, ০৯:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৯, ২০২১, ০৯:৪৭

options
link
গড়িয়াহাট জোড়া খুন: সেপটিক ট্যাঙ্কে লুকিয়েও শেষরক্ষা হল না! পুলিশের জালে আরও ১ zoom
ছবি: প্রতীকী।

অর্ণব আইচ: গড়িয়াহাট জোড়া খুন কাণ্ডে (Gariahat double murder case) বড়সড় সাফল্য। পুলিশের জালে আরও এক অভিযুক্ত। ধৃতের নাম সঞ্জয় মণ্ডল। শুক্রবার ভোর রাতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার পারুলিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাকে। আজই তোলা হবে আদালতে। সূত্রের খবর, ধৃতকে নিজেদের হেফাজতে রাখার আবেদন করবে কলকাতা পুলিশ।

গড়িয়াহাট কাণ্ডে আগেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে তিনজনকে। তাদের মধ্যে রয়েছে মূল অভিযুক্ত ভিকি হালদারের মা মিঠু। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে পুলিশ। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছিল। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হানা দেয় পারুলিয়ার জয়দেবপুরে। শুক্রবার ভোররাতে সেখানে রমা বৈদ্য নামে একজনের একটি বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্কের ভিতর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় পেশায় টোটো চালক সঞ্জয়কে। আজ তাকে তোলা হবে আদালতে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: সিপিএমের ফেসবুক পেজে তৃণমূল বিধায়কের লাইভ! শোরগোল আলিমুদ্দিনে]

কিছুদিন আগেই গড়িয়াহাটের কাকুলিয়ার দোতলা বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় এক শিল্পকর্তা-সহ দুজনের রক্তাক্ত দেহ। তদন্তে নেমেই মিঠু হালদার নামে এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জানা যায়, ওই মহিলা ও তার ছেলেই ঘটনার মূল চক্রী। এরপরই বাপি দাস ও জাহির গাজি নামে দু’জনকে পাথরপ্রতিমা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে এখনও হদিশ মেলেনি মূল অভিযুক্ত ভিকির। তাকে হেফাজতে নিতে পারলেই ঘটনার শিকড়ে পৌঁছনো যাবে বলে মনে করছে তদন্তকারীরা।

উল্লেখ্য, খুনের পর ভিকি নাইট ডিউটি করেছিল। অন্যান্য দিনের মতোই সারারাত ধরে কাজ করে সে। সোমবার দুপুর পর্যন্ত ডিউটি করে। অফিসের অন্য কর্মীরা পুলিশকে জানান, তার চোখমুখে কোনও ভয়ার্ত ভাব বা অন্য পরিবর্তন কেউ দেখতে পাননি। অত্যন্ত স্বাভাবিক ছিল সে। সোমবার ডিউটি সেরে বিকেলে ডায়মন্ড হারবারের বাড়িতে পৌঁছে মাকে জোড়া খুনের বিস্তারিত বিবরণ দেয়।

[আরও পড়ুন: স্ত্রীর গলায় কোপ স্বামীর, কাটা গলা জুড়ে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচালেন এসএসকেএমের চিকিৎসকরা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.