সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবার শামিয়ানার বিড়ম্বনায় রাজ্য বিজেপি। মেদিনীপুরের সভায় শামিয়ানা ভেঙে যে দুর্ঘটনা ঘটেছিল তাতে বেজায় চটেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। যার জেরে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রীর এরাজ্যে আসার যে কর্মসূচি ছিল তা বাতিল করে দিয়েছে গেরুয়া শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতারা। ঠিক করা হয়েছে বর্ষাকালে এরাজ্যে আর জনসভা করবেন না প্রধানমন্ত্রী। এমনকি বিজেপির রাজ্য নেতাদেরও বর্ষা চলাকালীন শামিয়ানা খাটিয়ে জনসভা করতে বারণ করা হয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে। আসলে প্রকাশ্য জনসভায় শামিয়ানা ভেঙে দুর্ঘটনাকে প্রধানমন্ত্রীর বিড়ম্বনা হিসেবে প্রচার করছে বিরোধীরা। এরপর যেন এমন বিড়ম্বনায় আর না পড়তে হয় সেকারণেই বর্ষাকালে জনসভা এড়িয়ে যেতে চাইছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃ্ত্ব। এমনকি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ সেকথা স্বীকারও করে নিয়েছেন। তিনি নিজের মুখেই বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর সেপ্টেম্বরের রাজ্য সফর সম্ভবত বাতিল হচ্ছে।
[পঞ্চায়েতে কাজের নিরিখে দেশের সেরা বীরভূম জেলা পরিষদ]
মোদির সফর বাতিল হলেও অবশ্য তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণের ঝাঁজ কমাতে চাইছে না রাজ্য বিজেপি। এরাজ্যের শাসকদলের ২১ জুলাই মেগা ব়্যালির পালটা রাজনৈতিক পরিকল্পনাও শুরু করেছেন দিলীপ ঘোষরা। বিজেপি সূত্রে খবর, ২১ জুলাই তৃণমূলের পালটা হিসেবে জোড়া জনসভা করবে রাজ্য নেতৃত্ব। যদিও, সভাগুলির কোনওটিই শহর কলকাতায় আয়োজন করা হয়নি। একটি সভা হবে মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে আর একটি সভা হবে বালুরঘাটে। একুশের জোড়া সভা থেকে তৃণমূলের মতোই কংগ্রেস ভাঙাচ্ছে বিজেপি। রেজিনগরের সভায় সরকারিভাবে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেবেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা হুমায়ুন কবীর। বালুরঘাটের সভা থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে পদ্মফুলের পতাকা হাতে নেবেন দক্ষিণ দিনাজপুরের প্রাক্তন কংগ্রেসের জেলা সভাপতিও। তবে, কংগ্রেসের যে সব হেভিওয়েট নেতারা শাসক শিবিরে ঝুঁকে আছেন, সে তুলনায় বিজেপি শিবিরে যোগদানের সংখ্যাটা নেহাতই নগণ্য।