সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের আদালতের চত্বরে শোভন-বৈশাখীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল রত্না চট্টোপাধ্যায়ের (Ratna Chatterjee) বিরুদ্ধে। অভিযোগ, শোভন ও বৈশাখীকে লক্ষ্য করে রত্নাদেবীর অনুগামীরা গালিগালাজ করতে থাকেন। এমনকী, হুমকিও দেওয়া হয় বলে দাবি তাঁদের। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল বিধায়ক তথা কাউন্সিলর রত্না চট্টোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, আদালত চত্বরে এরকম কিছু হয়েছে বলে জানি না। আসলে শোভন-বৈশাখীরা খুব তাড়াতাড়ি ভয় পেয়ে যায়।
কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় (Sovan Chatterjee) ও রত্নাদেবীর বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলছে। সেই মামলার শুনানির জন্য আদালতে এলে শোভন ও তাঁর বান্ধবী বৈশাখীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে রত্নাদেবীর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। গত ২৭ এপ্রিল এধরনের ঘটনা ঘটেছিল আলিপুর আদালত চত্বরে। তারপরেই আলিপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন শোভন-বৈশাখী। বুধবারও বিবাহ বিচ্ছেদের মামলার শুনানি ছিল।
[আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতির মূল পাণ্ডা মানিক, সুপ্রিম কোর্টে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ সিবিআইয়ের]
আলিপুর আদালতের দোতলায় শুনানি চলছিল মামলা। বৈশাখী দেবীর অভিযোগ, এজলাসে ছিল শোভন। তখন রত্না চট্টোপাধ্যায়ের অনুগামীরা বৈশাখদেবীর সঙ্গে অশান্তি বাঁধানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনি জবাব দেননি। কিন্তু শোভন চট্টোপাধ্যায় আদালত কক্ষ থেকে বেরিয়ে আসতেই ৪-৫ জন তাঁকে লক্ষ্য করে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করতে শুরু করে। পালটা জবাব অবশ্য শোভন-বৈশাখী দেননি। শোভন চট্টোপাধ্যায়ের অভিযোগ, “যে ভাষায় ওঁরা কথা বলছিল, তা মুখে আনা যায় না। আদালতে এরকম ঘটনা ঘটছে কীভাবে? রত্না নাকি আমার সঙ্গে আবার থাকতে চায়। কিন্তু এসবের পর কীভাবে থাকার কথা ভাবতে পারে!”
পালটা রত্না চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, “আদালত চত্বরে কী হয়েছে আমি জানি না। তবে শোভন-বৈশাখী খুব তাড়াতাড়ি ভয় পায়। তবে আমি এখনও বলব ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে আসুক।”
[আরও পড়ুন: বৃষ্টিতে ভেস্তে গেল ম্যাচ, লখনউ থেকে এক পয়েন্ট নিয়ে ফিরছে ধোনির চেন্নাই]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন