Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৮ জুলাই ২০২৬

এবার এম পি বিড়লা স্কুল, দিনের পর দিন যৌন নির্যাতন দুধের শিশুকে

অভিযোগ উড়িয়ে শিশুকে উলটে হোমে ভরতির পরামর্শ কর্তৃপক্ষর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯, ১৪:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯, ১৪:৫৯

options
link
এবার এম পি বিড়লা স্কুল, দিনের পর দিন যৌন নির্যাতন দুধের শিশুকে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্কুলে গিয়ে চূড়ান্ত লাঞ্ছিত জি ডি বিড়লার নার্সারির ছাত্রী। রানিকুঠির ওই একরত্তি শিশুর থেকেও সাঙ্ঘাতিক অবস্থা কলকাতার আর এক প্রান্তের শিশুর। স্কুলের মধ্যে তাকে দিনের পর দিন যৌন নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ। এমনকী স্কুল অভিভাবকদের কথায় কান দেয়নি। উলটে তারা বাচ্চাকে হোমে পাঠানোর পরামর্শ দেয়। পুলিশের কাছে গিয়েও তেমন লাভ হয়নি। বিধ্বস্ত বেহালার এই শিশুকন্যার পরিবার।

[প্রিন্সিপালের প্রশ্রয়ে অপরাধীদের বাড়বাড়ন্ত, স্কুল বন্ধের হুঁশিয়ারি]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জি ডি বিড়লার পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিশুদের উপর অকথ্য অত্যাচারের ঘটনা একে একে সামনে আসতে শুরু করেছে। এবারও নাম জড়াল বিড়লাদের আরও একটি স্কুল। ঘটনাস্থল বেহালার জেমস লং সরণির এমপি বিড়লা স্কুল। এলাকার এক দম্পতি চলতি বছর তাদের সাড়ে তিন বছরের কন্যাসন্তানকে ওই স্কুলে ভর্তি করান। তাদের অভিযোগ গত জুন মাস থেকে দফায় দফায় তাদের সন্তানের উপর যৌন নির্যাতন চলতে থাকে। প্রথমে তারা বিষয়টি বুঝতে পারেননি। দুধের শিশুকে মাকে বিভিন্ন ইঙ্গিতে বোঝানোর চেষ্টা করেছিল। স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও তারা বিষয়টিকে তেমন আমল দিতে চায়নি বলে অভিযোগ পরিবারের। এরপর গত ১৩ সেপ্টেম্বর বিষয়টি চরম পর্যায়ে পৌঁছয়। মেয়ের নিম্নাঙ্গ থেকে রক্তক্ষরণ হতে দেখে স্থানীয় বিদ্যাসাগর হাসপাতালে নিয়ে যান অভিভাবকরা। চিকিৎসকরা জানান ওই শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার। মেডিক্যাল টেস্টে তা ধরে পড়ে। এরপর বেহালা থানায় অভিযোগ জানানো হয়। স্কুলের বেশ কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে পরিবার। এরপর শিশুটিকে স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের ছবি দেখানো হয়। পরিবারের দাবি তাদের সন্তান দুজনকে ছবিতে চিনিয়ে দেয়। শনাক্ত করার পরও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনওরকম ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। এমনকী পকসো আইনে মামলা রুজু হলেও বিষয়টি সেই তিমিরেই রয়েছে।

এই ঘটনার পর থেকে শিশুটিকে আর স্কুলে পাঠানোর সাহস দেখায়নি পরিবার। তাদের বক্তব্য, স্কুলের তরফে সিসিটিভি ফুটেজ দেখানো হলেও সেখানে ত্রুটি ছিল। ফুটেজে দেখা যায় বাচ্চাটি শৌচাগার থেকে দৌড়ে বেরিয়ে আসছে। ভিডিওর কোথাও দেখা যায়নি স্কুলের আয়াকে। শৌচাগারে কেন আয়া নেই? কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে? ওই পরিবারের বক্তব্য এমন প্রশ্ন স্কুলের প্রিন্সিপাল করা হলে তিনি জানিয়ে দেন স্কুলের মধ্যে এমন কিছু ঘটেনি। কারও দোষ না দেখে উলটে তিনি বাচ্চাকে কোনও হোমে ভরতি করার পরামর্শ দেন। নির্যাতিতার বাবার বক্তব্য, রানিকুঠির থেকেও ভয়ঙ্কর ঘটনা তাদের শিশুর সঙ্গে ঘটেছে। এই পরিস্থিতিতে এখন সুবিচারের আশায় রয়েছে ওই পরিবার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.