নিজস্ব সংবাদদাতা, বারাকপুর: বলিউড বা দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমাতেই সম্ভবত এরকম দৃশ্য দেখা যায়। কাগজকুড়ানির ছদ্মবেশে এলাকায় ঘুরছে শুটার। বৃহস্পতিবার উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহের ঘটনা যেন সে সব সিনেমার চিত্রনাট্যকেও হার মানায়। দুই থেকে তিনজন অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী কাগজকুড়ানির ছদ্মবেশে রাস্তায় ঘুরছিল। তাদের টার্গেট ছিল স্থানীয় এক ইমারত ব্যবসায়ী। ওই ব্যবসায়ী এলাকারই একটি ক্লাব থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাঁকে লক্ষ্য করে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। চোখের নিমেষে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন রক্তাক্ত ব্যবসায়ী। তাঁকে কলকাতার আর জি কর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
[মমতাকে ক্ষমতালোভী, ভণ্ড বলে কটাক্ষ বিজেপির]
ঠিক কী হয়েছিল এদিন? স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, সকাল আটটা নাগাদ হঠাৎ গুলির শব্দ শুনে চমকে ওঠেন স্থানীয়রা। দেখেন কাগজ কুড়ানোর বস্তা ফেলে দুই থেকে তিনজন দৌড়ে পালাচ্ছে। তাদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র। স্থানীয়রা বুঝে যান, ছদ্মবেশে তিন আততায়ী খুনের ছক কষে জড়ো হয়েছিল। একদিকে রাস্তায় লুটিয়ে পড়ে রয়েছেন গুলিবিদ্ধ। গোটা শরীর রক্তে ভেসে যাচ্ছে। শুশ্রূষার জন্য এগিয়ে আসে একটি দল। স্থানীয়দের অন্য একটি দল আততায়ীদের ধাওয়া করে। একজনকে ধরে ফেলাও সম্ভব হয়। তার হাতে ছিল পিস্তল। ভিড় লক্ষ্য করে দুষ্কৃতী গুলি চালানোর হুমকি দেয়। তবে চারিদিক থেকে ঘিরে ফেলায় সে আর পালাতে পারেনি। জনতার কাছে আত্মসমর্পণ করে দুষ্কৃতী। পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় দুষ্কৃতীকে।
[লালঝান্ডা ফেলে এখন হাতে পুঁথি মজিদ মাস্টারের]