Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
SSC

রিভিউ পিটিশনে সুরাহা মিলতে পারে ২৬ হাজার চাকরিহারার? কী বলছেন আইনজ্ঞরা?

সুপ্রিম নির্দেশে বৃহস্পতিবার চাকরি হারিয়েছেন ২৬ হাজার শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৪, ২০২৫, ১০:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৪, ২০২৫, ১০:৩৫

options
link
রিভিউ পিটিশনে সুরাহা মিলতে পারে ২৬ হাজার চাকরিহারার? কী বলছেন আইনজ্ঞরা? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো: কলকাতা হাই কোর্টের রায় বহাল রেখে ২০১৬ সালের স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) সম্পূর্ণ নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম রায়ে চাকরি গিয়েছে ২৫,৭৫২ জনের। নানা মহলে প্রশ্ন, এরপর কী? আইনি পথে আর কোনও সুরাহা পেতে পারেন যোগ্য চাকরিপ্রার্থীরা? কী বলছেন বিশিষ্ট আইনজীবীরা?

এ বিষয়ে বিশিষ্ট আইনজীবী অরুণাভ ঘোষ বলেন, “পরবর্তীতে রিভিউ করারই একমাত্র সুযোগ আছে। তবে শুধুমাত্র টেকনিক্যালি ভুলে রিভিউ করা যায়। আর সুপ্রিম কোর্টের রায়ে রিভিউ করে কোনও লাভ হয় না। রায় দেওয়ার পর সংশোধনের সুযোগ খুবই কম। সুপ্রিম কোর্ট নিজের রায়ের পরিবর্তন করে না।” একই সঙ্গে এদিন তিনি রায় নিয়ে কটাক্ষ করেছেন। বলেন, “চাকরি চলে যাওয়াটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। যেটা সুপ্রিম কোর্টের মনে করা উচিত ছিল। এতগুলো লোকের চাকরি চলে গেল, তাঁদের সংসার কী খাবে, একটু সময় দেওয়া উচিত ছিল। যে সৎভাবে চাকরি পেয়েছে তার চাকরি চলে যাওয়াটা মেনে নেওয়া যায় না। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের নির্বাচন কীভাবে হয়? মেরিটে হয়! আগে নিজেদের দিকটা দেখুক।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আর এক বিশিষ্ট আইনজীবী তথা রাজ্যের প্রাক্তন অ্যাডভোকেট জেনারেল জয়ন্ত মিত্রও অরুণাভর সঙ্গে একমত। এ প্রসঙ্গে তিনি বলছেন, “এখানে রিভিউ অ্যাপ্লিকেশন ছাড়া আর কোনও সুযোগ নেই। অতীতে সুপ্রিম কোর্টে অনেক অর্ডারের বিরুদ্ধেই রিভিউ অ্যাপ্লিকেশন করা হয়েছে, কিন্তু খুব কম ম্যাটারের ক্ষেত্রে সাকসেস এসেছে। বেসিক্যালি চূড়ান্ত নির্দেশ দেওয়ার সময় সুপ্রিম কোর্ট খোলা আদালতে বসে লিখে রায় শোনায় না। যে বেঞ্চ রায় দেয়, তারা প্রাইভেট চেম্বারে বসে সিদ্ধান্ত নেয়।” চাকরি বাতিল প্রসঙ্গে তাঁর মত, “একইসঙ্গে ভালো-খারাপ বলি হয়ে গেল। এতদিনে নতুন করে পরীক্ষা দিয়ে চাকরি পাওয়ার সেই মনোবল বা শরীরও থাকে না। গোটা ঘটনাটা ঘটল স্কুল সার্ভিস কমিশন ও রাজ্যের ভুলের জন্য। এতজনকে সাফার করতে হল।”

সিনিয়র আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি জানাচ্ছেন, “সুপ্রিম কোর্টে রিভিউ করাই যায়। সংবিধানের ১৩৭ নম্বর ধারায় সুপ্রিম কোর্ট নিজের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করতে পারে।” প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ এই রায় দেওয়ার পর আপিল করা যায় কি না, তা নিয়ে কোনও কোনও মহলে সংশয় তৈরি হয়েছে। কিন্তু সংবিধান মেনে রিভিউ পিটিশন করতে বাধা নেই বলেই জানিয়েছেন এডুলজি। সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী অশ্বিনী উপাধ্যায় জানান, “রিভিউ করার সুযোগ অবশ্যই রয়েছে। কিন্তু খারিজ হওয়ার হার ৯৯.৯৯ শতাংশ। এতে লাভ হবে না।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.