Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
SSC Recruitment Case

সুপ্রিম নির্দেশ মানা হয়নি! এসএসসির নয়া বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে মামলা

কবে হবে শুনানি?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩, ২০২৫, ১৩:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩, ২০২৫, ১৩:৪৭

options
link
সুপ্রিম নির্দেশ মানা হয়নি! এসএসসির নয়া বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে মামলা zoom

গোবিন্দ রায়: সুপ্রিম নির্দেশ মানা হয়নি। এই অভিযোগে এসএসসির (SSC) নয়া বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে দায়ের হল মামলা। আগামী ৫ জুন শুনানির সম্ভাবনা।

২৬ হাজার চাকরি বাতিলের নির্দেশের পাশাপাশিই সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছিল নতুন করে পরীক্ষা নিতে হবে। বেঁধে দিয়েছিল সময়সীমা। তা মেনেই গত শুক্রবার নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। সেই বিজ্ঞপ্তিই এবার আইনি জটে। সুপ্রিম নির্দেশ মানা হয়নি। এই অভিযোগ তুলে কলকাতা হাই কোর্টে দায়ের হল মামলা। মামলাকারী লুবানা পারভিনের দাবি, ৪৪ হাজার নিয়োগের যে বিজ্ঞপ্তি ও রুল প্রকাশ করা হয়েছে তার অবৈধ। বয়সের ছাড় থেকে অভিজ্ঞতার নম্বর, সব ক্ষেত্রে নির্দেশ লঙ্ঘন করা হয়েছে বলেই দাবি তাঁর।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রসঙ্গত, এসএসসির আগের বিজ্ঞপ্তিতে লিখিত পরীক্ষায় ছিল ৫৫ নম্বর। শিক্ষাগত যোগ্যতার উপরে ছিল ৩৫ নম্বর। ইন্টারভিউয়ে ক্ষেত্রে নম্বর ছিল ১০। নতুন বিজ্ঞপ্তিতে লিখিত পরীক্ষায় নম্বর বাড়িয়ে করা হয়েছে ৬০। শিক্ষাগত যোগ্যতার উপরে থাকবে সর্বোচ্চ ১০ নম্বর। এখানে ২৫ নম্বর কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। বদলে যোগ করা হয়েছে শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা এবং ‘লেকচার ডেমোস্ট্রেশন’-এ। শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার উপর দেওয়া হচ্ছে সর্বোচ্চ ১০ নম্বর। ‘লেকচার ডেমোস্ট্রেশন’-এর জন্যও সর্বোচ্চ ১০ নম্বর রাখা হচ্ছে। অর্থাৎ শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা এবং পড়ানোর দক্ষতার জন্য অতিরিক্ত ২০ নম্বর থাকছে। ইন্টারভিউয়ের জন্য আগের মতোই ১০ নম্বর থাকছে নতুন নিয়োগের ক্ষেত্রেও।

নয়া বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা বা অ্যাকাডেমিক্সের নম্বর অনেকটা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। বদলে শিক্ষকতার পূর্ব অভিজ্ঞতা এবং ক্লাস নেওয়ার দক্ষতায় অতিরিক্ত নম্বর যোগ করা হয়েছে। নতুন বিধিতে স্বচ্ছতাতেও জোর দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্যানেলের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর দু’বছর লিখিত পরীক্ষার ওএমআর শিট সংরক্ষণ করা হবে। তারপর সেগুলি নষ্ট করা হতে পারে। তবে ওএমআর শিটের স্ক্যান করা কপি ১০ বছর পর্যন্ত সংরক্ষিত করা হবে। ওয়েবসাইটেও প্রকাশিত হবে ওএমআর শিটের কপি।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.