সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পুরভোটের দিনক্ষণ স্থির করে ফেলল রাজ্য সরকার। দুটি প্রস্তাবিত তারিখ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হচ্ছে নবান্ন। আগামী ১২ এপ্রিল কলকাতা ও হাওড়া পুরসভায় ভোট চাইছে রাজ্য। অন্যান্য পুরসভায় ২৬ বা ২৭ তারিখ ভোট হতে পারে। এই প্রস্তাব নিয়ে নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে রাজ্য সরকার। বারাকপুরের ৮ পুরসভায় এখনই ভোট হবে না বলে সূত্রের খবর।
এপ্রিলের মধ্যেই পুরভোট শেষ করার লক্ষ্যে ময়দানে নেমেছে রাজ্য সরকার। সেই লক্ষ্যে এবার দিনক্ষণ স্থির করে ফেললেন প্রশাসনিক কর্তারা। আগামী ১২ এপ্রিল কলকাতা ও হাওড়া পুরসভায় একসঙ্গে ভোট করানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সূত্রের খবর, মেয়র হিসেবে ফিরহাদ হাকিমের পারফরম্যান্সে খুশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই তাঁকে মেয়র হিসেবে প্রজেক্ট করেই কলকাতার পুরভোটে লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একুশের সেমিফাইনাল হিসেবে এই লড়াইয়ের জন্য নতুন কর্মসূচি নিচ্ছে রাজ্যের শাসক দল। সূত্রের আরও খবর, ‘আমার গর্ব মমতা’ – এই কর্মসূচির সূচনা হবে মার্চের গোড়ায়।
[আরও পড়ুন: মাধ্যমিকের প্রথমদিনে বিভ্রাট, পরীক্ষা শেষের আগেই প্রকাশ্যে প্রশ্নপত্র!]
ওই একই দিনে অর্থাৎ ১২ এপ্রিল হাওড়া পুরনিগমেও ভোট করাতে চাইছে নবান্ন। বারাকপুরের ৮টা পুরসভা বাদ দিলে বাকি পুরসভাগুলিতে ২৬ অথবা ২৭ এপ্রিল ভোটের পরিকল্পনা। এই প্রস্তাব নিয়ে এবার নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে রাজ্য সরকার। এ নিয়ে সর্বদল বৈঠকের ডাক দিতে পারে কমিশন। তারপর চূড়ান্ত দিনক্ষণ স্থির হবে। তবে রমজানের আগেই ভোটপর্ব মিটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে বলে খবর।
একুশের ভোটের আগে পুরভোট কার্যত অ্যাসিড টেস্ট তৃণমূলের কাছে। তাতেই বোঝা যাবে, জনসমর্থন এখনও কতটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুকূলে। তাই এ নিয়ে একেবারে কোমর বেঁধে ঝাঁপাচ্ছেন শাসকদল। পিছিয়ে নেই গেরুয়া শিবিরও। তারাও বিধানসভার আগে নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি বুঝে নিতে চাইছে। অপেক্ষা শুধু নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত দিন ঘোষণার।
[আরও পড়ুন: টাকা নিয়ে অশান্তির জের, ছেলের ঘুসিতে মৃত্যু মায়ের]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন