Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

চাপের মুখে পিছু হঠল রেল, বন্ধ হচ্ছে না ৮ রেলপথ 

জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী...

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০১৮, ০৩:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০১৮, ০৩:৩৪

options
link
চাপের মুখে পিছু হঠল রেল, বন্ধ হচ্ছে না ৮ রেলপথ  zoom

নিজস্ব সংবাদদাতা, বারাকপুর: চাপের মুখে পড়ে পিছু হঠল রেলমন্ত্রক। বাংলায় আটটি রেলপথ বন্ধের কোনও সম্ভাবনা নেই বলে রবিবার জানিয়ে দিলেন রেলমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী মনোজ সিনহা। জনমানসে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়ায় শেষমেশ চাপে পড়েই কেন্দ্রীয় সরকার পিছু হঠল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

[রাজ্যের ৮টি রুটে ট্রেন বন্ধ নিয়ে রেলের ভোলবদল, চূড়ান্ত বিভ্রান্তিতে যাত্রীরা]

রবিবার নোয়াপাড়ায় বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে ভোট প্রচারে এসে মনোজ সিনহা বলেন, “বাংলায় লোকসানে চলা আটটি রুট বন্ধের কোনও সম্ভাবনা নেই। মোদি সরকারের আমলে যেভাবে রেল চলছে সেভাবেই চলবে। রাজ্য সরকার রাজনীতির সুবিধা নিতে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।” রেল রাষ্ট্রমন্ত্রীর যুক্তি, “সংসদের পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটিই রিভিউ করার পর জানিয়েছে, ওই রুটগুলিতে লোকসান হচ্ছে। ট্রেন চালানো ও না চালানোর সিদ্ধান্ত রেলমন্ত্রক কিংবা জেনারেল ম্যানেজারের নয়। এটা রেল বোর্ডের বিষয়। রিভিউয়ের পর লোকসানের বিষয়টি পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার রাজ্য সরকারকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[৮টি লোকাল ট্রেনের রুট বন্ধে রেলমন্ত্রকের চিঠি রাজ্যকে]

গত শুক্রবার নবান্নে মুখ্যসচিবকে চিঠি দিয়ে রেলমন্ত্রক জানিয়েছিল আটটি রেললাইন তারা বন্ধ করে দিতে চায়। কারণ, ওই রুটগুলি অলাভজনক। পরে অবশ্য পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার বিবৃতি দিয়ে দাবি করেন, লাইন তোলার কোনও পরিকল্পনা নেই। রীতিমতো চিঠি দিয়ে রেলের তরফে এই বিষয়টি জানানোর পরই গোটা রাজ্যজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্নের তরফে রেলমন্ত্রকের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে পালটা চিঠি দেন মুখ্যসচিব। পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেসও হুঁশিয়ারি দেয়, রেলপথ বন্ধ করার এই বিভ্রান্তিকর চিঠি রেলমন্ত্রককে ফিরিয়ে নিয়ে তুঘলকি সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে হবে। ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়সীমাও দেয় তৃণমূল। এসবের পর কার্যত চাপের মুখে পড়ে শেষমেশ কোনও শর্ত ছাড়াই পিছু হঠে রেল।

[খাস রেল ভবনেই ভুয়ো ইন্টারভিউ-নিয়োগপত্রের ব্যবস্থা, দুর্নীতির জাল গভীরে]

এদিকে, রেলমন্ত্রকের এই চিঠিকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে জনমানসে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে এই আশঙ্কায় রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বও কিছুটা অস্বস্তিতে পড়ে যায়। দলীয় সূত্রে খবর, রেলমন্ত্রকের বিভ্রান্তিকর চিঠির জেরে বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভের সৃষ্টি হতে পারে। সামনের উলুবেড়িয়া ও নোয়াপাড়ার উপনির্বাচনেও দলের ভোটবাক্সে তার প্রভাব পড়তে পারে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, সেকারণেই শনিবার দলের কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে দাবি করেন, রেলের পাঠানো চিঠিতে কোথাও রেল বন্ধের কথা বলা হয়নি। ওই রুটগুলিতে লোকসানের কথা বলা হয়েছে এবং রাজ্য যদি সেই ক্ষতির ৫০ শতাংশ বহন করে সেটাই বলা আছে। রাজ্য সরকার মিথ্যা প্রচার করছে বলেও পাল্টা তোপ দাগেন বিজেপি নেতারা।

 

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.