অর্ণব আইচ: দু’দিন নিখোঁজে পর শহরের ম্যানহোল থেকে উদ্ধার পথশিশুর দেহ। এই দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। ম্যানহোলের ঢাকনা সামান্য আলগা ছিল। সেখান থেকেই চুল দেখতে পান প্রত্যক্ষদর্শীরা। উল্টোডাঙা থানায় খবর যায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে ম্যানহোলের ঢাকনা খুলতেই উদ্ধার হয় শিশুকন্যার দেহ। বুধবার রাতে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দেশবন্ধু পার্কের উলটোদিকের গলি শ্যামলাল স্ট্রিটে। খুনের কারণ নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে শহরে।
জানা গিয়েছে, মৃত শিশুকন্যা দিনদুয়েক আগেই ফুটপাত থেকে ঘুমন্ত অবস্থায় নিখোঁজ হয়ে যায়। অভিযোগ, কালো চশমা পরিহিত কোনও এক ব্যক্তি ওই শিশুকন্যাকে গাড়িতে উঠিয়ে নিয়ে গিয়েছে। বুধবার দিনেই থানায় মেয়ের নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করেন শিশুকন্যার বাবা-মা। এরপর শুরু হয় খোঁজাখুঁজি। বুধবার রাতে দেশবন্দু পার্কের অদূরেই শ্যামলাল স্ট্রিটের এক ম্যানহোলের ঢাকনাতে কিছু অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করেন স্থানীয়রা। দেখেন সামান্য আলগা হয়ে রয়েছে ম্যানহোলের ঢাকনাটি। সেখান থেকে উঁকি দিচ্ছে চুল। তখনও প্রত্যক্ষদর্শীরা বোঝেননি নিখোঁজ শিশুকন্যার দেহ ওখানে ফেলে যাওয়া হয়েছে। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন বাবা-মা। দেহে পোড়া দাগ রয়েছে। নির্যাতনের পর পুড়িয়ে খুন করা হতে পারে। দেহটিকে ময়নাতদন্তের জন্য আরজি কর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট হাতে এলেই বোঝা যাবে খুনের প্রকৃত কারণ।
[ডোমজুড়ে ব্যাংককর্মী খুনের কিনারা, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার অভিযুক্ত]
তবে ইতিমধ্যেই শিশুকন্যা নিখোঁজ ও খুন নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। খুনের নেপথ্যে ধর্ষণ বা কোনওরকম শারীরিক অত্যাচার কিনা তা জানতে তৎপর পুলিশ। এমনিতেই দেশবন্ধু পার্ক-সহ গোটা এলাকাটিতে প্রচুর ফুটপাতবাসীর বাস। সবসময় জমজমাট থাকা এমন একটি এলাকায় কী করে ঘুমন্ত শিশুকন্যাকে অপহরণ করা হল, কেউ দেখতে পেল না। গোটা ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে মুখে কুলুপ পুলিশের। বিষয়টি নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
[হাই কোর্টের রায়ে কাটাই পড়ছে যশোহর রোডের শতাব্দী প্রাচীন ৩৫৬টি গাছ]