কলহার মুখোপাধ্যায়: ভারতের কৃষক ও ক্রেতার স্বার্থ মাথায় রেখে নিজেদের ব্যবসা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে পা রাখতে চলেছে দেশীয় ব্যবসায়িক সংস্থা আইটিসি। কলকাতায় ১০৭তম বার্ষিক সাধারণ সভায় আইটিসির ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস পুরী জানান, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজারে পা রাখার পর গত বছরে ভাল অঙ্কের লাভের মুখ দেখেছে তারা। এ বছর লাভের অঙ্ক প্রত্যাশার কাছাকাছি থাকবে বলে আশাবাদী আইটিসি। সংস্থার চেয়ারম্যান ওয়াই সি দেবেশ্বর বলেন, হিমায়িত খাদ্যদ্রব্যের বাজার ধরতে এমন কিছু নতুন আইটেম তাঁরা আনতে চলেছেন যা ক্রেতাদের মন জয় করবে।
[কুয়োর মধ্যে উঁকি দিচ্ছে বিষধর গোখরো, ভয়ে কাঁটা গৃহবধূ]
সম্মেলনে প্রশ্ন ছিল, নিজেদের মূল ব্র্যান্ড সিগারেট উৎপাদন থেকে ক্রমশ সরে এসে অন্য পথে হাঁটলে ব্যবসার ওপর তার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে কি না? চেয়ারম্যান জানান, কৃষিজাত পণ্যের বিস্তৃত বাজারের দিকে তাঁদের লক্ষ্য। সেই কারণে উৎকৃষ্ট মানের আলু-সহ পিঁয়াজ ইত্যাদি দ্রব্যের দিকে ক্রমশ ঝুঁকছে তাঁরা৷ ম্যাজিক ওনিয়ন নামে ডিহাইড্রেটেড পিঁয়াজ বাজারে ছেড়েছেন৷ প্যাকেট থেকে বের করে ১৫ মিনিট জলে ডুবিয়ে রাখলে পিঁয়াজ তাজা হয়ে যাবে৷ এই শুকনো পিঁয়াজ বহুদিন ঘরে রাখা যাবে। এটি রান্না করা সহজ।
[একসঙ্গে মিছিল করলেন মোদি-মমতা-অনুব্রত, সাক্ষী রইল সিউড়ি]
এই প্রসঙ্গ টেনেই এমডি এস পুরী বলেন, তাঁদের উৎপাদিত আলু লো সুগার ও অ্যান্টি অক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ। এই ধরনের আলু উৎপাদনের কৃতিত্ব তাঁদের একলারই। কারণ দেশের বাছাই করা কৃষিবিজ্ঞানীরা তাঁদের সংস্থার হয়ে গবেষণা করছেন। এর পাশাপাশি তিনি জানান, ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে হোটেল ব্যবসায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে আইটিসি। দেশের বহু জায়গায় হোটেল খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। এর সঙ্গেই কাগজ শিল্পেও তারা ক্রমশ এগিয়ে আসছে। কিছুদিনের মধ্যেই দেশের সর্বত্র তাদের তৈরি হিমায়িত চিংড়ি থেকে মাংস, বিদেশি খাবার ফলাফল থেকে কাটলেট মিলবে দোকানে দোকানে। তিনি বলেন, শুল্ক বাড়ার কারণে এবং চোরাই মাল ছেয়ে ফেলায় সিগারেটের বাজার ক্রমশ সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে৷