Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Suvendu Adhikari

পুলিশের জলকামানের সামনে কর্মীরা, লালবাজারে বসে ‘খোশগল্প’, চা-পান শুভেন্দুদের, বাড়ছে ক্ষোভ

নবান্ন অভিযানে নেতাদের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে ভালরকম অস্বস্তিতে বিজেপি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২২, ১৪:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২২, ১৪:৫১

options
link
পুলিশের জলকামানের সামনে কর্মীরা, লালবাজারে বসে ‘খোশগল্প’, চা-পান শুভেন্দুদের, বাড়ছে ক্ষোভ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কেউ হাসছেন। কেউ চেয়ারে হেলান দিয়ে আয়েশে গা এলিয়ে বসে রয়েছেন। কেউ চুমুক দিচ্ছেন চায়ের কাপে। কারও হাতে আবার ঠান্ডা পানীয়ের বোতল। মঙ্গলবার নবান্ন অভিযানে বিজেপির নিচুতলার কর্মীরা যখন পুলিশের জলকামানের সামনে দাঁড়িয়ে ইট ছুঁড়ছেন, তখন দলের শীর্ষনেতারা এভাবেই খোশমেজাজে সময় কাটিয়েছেন। এমনই কিছু ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। যা নিয়ে দলের অন্দরেই ক্ষোভ বাড়ছে।

বস্তুত, বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের আন্দোলন করার সদিচ্ছা, এবং মাঠে নেমে ঘাম ঝরানোর মানসিকতা নিয়ে বহু আগে থেকেই প্রশ্ন তুলে আসছে তৃণমূল (TMC)। মঙ্গলবারের নবান্ন অভিযানেও বিজেপি নেতাদের লড়াই করার মানসিকতার অভাব স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। দলের কর্মী এবং নিচুতলার নেতারা যেখানে বিনা যুদ্ধে ময়দান ছাড়তে রাজি হননি, সেখানে অধিকাংশ নেতাই স্রেফ নাম কা ওয়াস্তে পথে নেমে কার্যত স্বেচ্ছায় গ্রেপ্তারি বরণ করেছেন। শুভেন্দু অধিকারী (Suvendhu Adhikari) তো মিছিল পর্যন্ত পৌঁছানোর আগেই পুলিশের হাতে ধরা দেন। দিলীপ ঘোষকেও সেভাবে পুলিশের ব্যারিকেডের সামনে গিয়ে লড়াই করতে দেখা যায়নি। রাহুল সিনহা (Rahul Sinha), লকেট চট্টোপাধ্যায়রা পথে নামলেও লড়াইয়ের ময়দানে ছিলেন না কেউই।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘মুখে বলে প্রমাণ করতে হল তিনি পুরুষ’, ‘আলুভাতে’র পর শুভেন্দুকে নয়া কটাক্ষ কুণালের]

এসব নিয়ে কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হচ্ছিলই। এবার সেই ক্ষোভে ঘৃতাহুতির কাজ করল লালবাজারের অন্দর থেকে প্রকাশ্যে আসা কয়েকটি ছবি। যাতে দেখা যাচ্ছে শুভেন্দু অধিকারী, লকেট চট্টোপাধ্যায়রা (Locket Chatterjee) রীতিমতো খোশমেজাজে আড্ডা দিচ্ছেন। অনেকটা অবসর সময়ে বন্ধুদের আড্ডার মতো চা, ঠান্ডা পানীয় সহযোগে খোশগল্প চলছে। আর এই ছবিগুলি প্রকাশ্যে আসতেই কর্মীদের মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ। নিচুতলা থেকে প্রশ্ন ওঠা শুরু হয়েছে, সাধারণ কর্মীরা যখন জঙ্গি আন্দোলন করছেন, তখন নেতারা এত নিশ্চিন্তে বসে থাকেন কী করে? যদিও নেতাদের অনুপস্থিতি বিজেপির নিচুতলার কর্মীদের গুন্ডামি থেকে বিরত রাখতে পারেনি। তাঁরা পূর্বনির্দেশ মতো ভাঙচুর, পুলিশের গাড়িতে আগুন লাগানোর মতো কাণ্ড ঘটিয়েছেন।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

[আরও পড়ুন: ‘পুলিশই চেয়েছিল গাড়ি জ্বলুক’, নবান্ন অভিযানে অশান্তি নিয়ে মন্তব্য দিলীপের, পালটা তোপ শান্তনুর]

তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ এই ছবিগুলি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন। শুভেন্দু অধিকারীদের ‘কাগুজে’ নেতা বলে কটাক্ষ করেছেন তিনি। সেই সঙ্গে তাঁর প্রশ্ন, “এর পরেও ওদের মুখে পুলিশের সমালোচনা সাজে? শুরুতে নিজেই হেঁটে হেঁটে বিনা বাধায় পুলিশের গাড়িতে উঠে গ্রেপ্তার। তারপর লালবাজারে হাসি, আড্ডা, ফেসবুক লাইভ, এমনকি চা-ও। যত ডায়লগ ময়দানের বাইরে, মিডিয়ার সামনে। এরা বিরোধী দল? সেই ডেডিকেশন কোথায়?”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.