Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
CPIM

ঝিমিয়ে গিয়েছে পার্টি, আন্দোলন-বিমুখ কর্মীরা! ছাব্বিশের আগে সিঁদুরে মেঘ দেখছে সিপিএম

আন্দোলনে যে ধারাবাহিকতা নেই, তা কলকাতা জেলা পার্টির সম্মেলনের সাংগঠনিক প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২৫, ১২:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২৫, ১২:০৫

options
link
ঝিমিয়ে গিয়েছে পার্টি, আন্দোলন-বিমুখ কর্মীরা! ছাব্বিশের আগে সিঁদুরে মেঘ দেখছে সিপিএম zoom
ফাইল ছবি।

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: বুথস্তরে আন্দোলনের তীব্রতা কোথায়? দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে আন্দোলনে ঝাঁপানোর চেষ্টাই নেই। আসন্ন রাজ‌্য সম্মেলনে আন্দোলনে ঝাঁজ বাড়ানোর দাওয়াই খুঁজতে হবে আলিমুদ্দিনকে। রাজ‌্যজুড়ে চলতে থাকা জেলা সম্মেলনগুলি থেকে আসা রিপোর্টে পার্টির আন্দোলন ঝিমিয়ে গিয়েছে বলেই উঠে আসছে। রুদ্ধদ্বার বৈঠক হচ্ছে, হলে আলোচনাসভা থেকে পার্টি ক্লাসও চলছে। কিন্তু পথেঘাটে আন্দোলনরত সিপিএম কর্মীদের আর দেখাই যাচ্ছে না।

নিচুতলায় বদ্ধ ঘর থেকে বেরোচ্ছেনই না পার্টি সদস‌্য থেকে সাধারণ কর্মীরা। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে আন্দোলনের প্রতি নিচুতলার এই অনীহা নিয়ে রীতিমতো সিঁদুরে মেঘ দেখছে বঙ্গ সিপিএম। রাজ‌্য পার্টি থেকে বারবার নির্দেশিকায় বলা হচ্ছে, স্থানীয় ইস্যু, মানুষের সমস‌্যা থেকে দাবিদাওয়া নিয়ে আন্দোলন বাড়াতে হবে। শুধু তাই নয়, কোথায় কোন বিষয়কে ইস্যু করতে হবে তা বাছাই করার ক্ষেত্রেও দুর্বলতা রয়েছে জেলা থেকে এরিয়া কমিটির নেতাদের। জেলা থেকে এরিয়া কিংবা বুথ কমিটিতে আন্দোলনের গতি যে শ্লথ, তা মেনে নিচ্ছেন রাজ‌্য কমিটির এক সদস‌্য।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এছাড়া, রাজ‌্যস্তর থেকে যে কর্মসূচি কেন্দ্রীয়ভাবে ঠিক করে দেওয়া হচ্ছে, সেটাই জেলায় জেলায় পালন করা হচ্ছে। নিয়মিত জেলাভিত্তিক ইস্যু নিয়ে আন্দোলন সেভাবে হচ্ছে না। উল্লেখ‌্য, আন্দোলনে যে ধারাবাহিকতা নেই, তা কলকাতা জেলা পার্টির সম্মেলনের সাংগঠনিক প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে। এছাড়া, আর জি কর ইস্যুকে রাজনৈতিকভাবে হাতিয়ার করে সেই আন্দোলনকে হাইজ‌্যাক করার চেষ্টা করেছিল সিপিএম। কিন্তু মূলত কলকাতা—সহ একাধিক জেলা সম্মেলনে কার্যত স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে, আর জি কর আন্দোলনকে ধরে পার্টির ব‌্যর্থতার বিষয়টি।

ছাত্র-যুব-মহিলা-শ্রমিক-কৃষক সংগঠনের আন্দোলন নিচুস্তরে কোনও প্রভাব ফেলছে না। পরিস্থিতি এতটা খারাপ যে, এরিয়া কমিটি এলাকায় গণসংগঠনের কোনও সক্রিয়তাই নেই। বর্তমানে আন্দোলন-কর্মসূচির ইস্যু আলিমুদ্দিন ঠিক করে দিচ্ছে। ফেব্রুয়ারিতে রাজ‌্য সম্মেলন। সেখানে নিচুতলায় আন্দোলনের ঝাঁজ বাড়ানো কীভাবে যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। ভোটারদের কাছে কীভাবে পার্টিকে বেশি করে দৃশ‌্যমান করা যায়, সেই চেষ্টা করবেন মহম্মদ সেলিম, সুজন চক্রবর্তীরা। লোকসভার পাশাপাশি বিধানসভাতেও শূন্য সিপিএম। এমন অন্দোলন হচ্ছে না যে, তৃণমূলের বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে যাতে লড়াই করা সম্ভব হয়। নিচুতলায় পুরনো বাম সমর্থকরা কেন বিজেপিকে ভোট দিচ্ছে, সেটার কারণ খুঁজে বের করতেও আগামী রাজ্য সম্মেলনে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.