অর্ণব আইচ: ৫০ লক্ষ টাকার নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে কলকাতায় ধরা পড়ল মণিপুরের দুই বাসিন্দা। ধৃতদের নাম মহম্মদ আব্বাস খান(৩২) ও মহম্মদ জাইয়ুর রহমান(৩১)। শনিবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করে ময়দান থানার পুলিশ। ধৃতদের বাড়ি মণিপুরে থৌবলে এলাকায় বলে জানা গিয়েছে।
[আরও পড়ুন: প্রেম না পাগলামি! ভিড় রাস্তার মাঝেই সহকর্মীকে সিঁদুর পরাল যুবক]
পুলিশ সূত্রে খবর, আগে থেকেই খবর ছিল। সেই অনুযায়ী শনিবার দুপুর একটা ২০ মিনিট নাগাদ ময়দান থানার ডাফরিন রোডে একটি হন্ডা অ্যার্কড গাড়ি আটক করে কলকাতা পুলিশের এসটিএফ। গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তিনটি বড় প্যাকেট বাজেয়াপ্ত করে। পরে সেগুলি খুলতে দেখা যায় ৫০ হাজার নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট ওই প্যাকেটগুলিতে রয়েছে। যার মোট ওজন পাঁচ কিলো ৬০০ গ্রাম। নিষিদ্ধ ওই মাদক উদ্ধার হওয়ার পরেই আটক দুই ব্যক্তিকে লাগাতার জেরা করা হয়। ধৃতরা ওই ট্যাবলেটগুলি পাচারের জন্য কলকাতায় নিয়ে আসছিল বলে স্বীকার করে। এরপর রাত ১০টা ৫০ মিনিট নাগাদ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতদের জেরা করে এই চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা বাকিদের সন্ধান করা হচ্ছে।
[আরও পড়ুন:নিমতায় দেবাঞ্জন হত্যাকাণ্ডে বজবজ থেকে গ্রেপ্তার মূল অভিযুক্ত প্রিন্স]
গত ১৪ অক্টোবর চিংড়িঘাটার ক্যানাল সাউথ রোড থেকে গ্রেপ্তার হয়েছিল মণিপুরের থৌবল এলাকার এক মাদক পাচারকারী। সইদ সাহিদ আহমেদ নামে ওই ব্যক্তিকে জেরা করে জানা যায়, ১৯ তারিখ আরও দুই পাচারকারীর কলকাতায় আসার কথা। এরপর তাদের পাকড়াও করার জন্য ঘুঁটি সাজায় কলকাতা পুলিশের এসটিএফ। পরিকল্পনা অনুযায়ী শনিবার দুপুরে ডাফরিন রোডে ওই গাড়িটি আটক হতেই মেলে সাফল্য।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বেশ কিছুদিন ধরেই কলকাতায় নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেটের ব্যবহার খুব বেড়ে গিয়েছে। বহু নামী স্কুল ও কলেজের ছাত্রছাত্রী এই নিষিদ্ধ মাদকের কবলে পড়েছে। প্রচুর কাঁচা টাকার লেনদেন হওয়ায় বিভিন্ন দুষ্কৃতীও জড়িয়ে পড়ছে এই ব্যবসায়। কলকাতা পুলিশ আপ্রাণ চেষ্টা করলেও নিষিদ্ধ এই মাদক ট্যাবলেটের ব্যবসা শহর থেকে পুরোপুরি নির্মূল করা যাচ্ছে না।
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন