Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Jagdeep Dhankhar

রাজ্য-রাজ্যপাল দ্বন্দ্ব অব্যাহত, পুরভোটের আগে প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক ধনকড়ের

বিএসএফ প্রসঙ্গেও সরব হয়েছেন রাজ্যপাল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০২২, ১৮:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০২২, ১৮:২৪

options
link
রাজ্য-রাজ্যপাল দ্বন্দ্ব অব্যাহত, পুরভোটের আগে প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক ধনকড়ের zoom

দীপঙ্কর মণ্ডল: রাজ্য প্রশাসনের প্রতি নিজের অসন্তোষ জ্ঞাপন অব্যাহত রাখলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় (Jagdeep Dhankar)। শনিবার তিনি রাজভবনে মুখ্যসচিব হরেকৃষ্ণ দ্বিবেদী এবং স্বরাষ্ট্রসচিব বিপি গোপালিকার সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন। কলকাতা পুরভোটের আগে তড়িঘড়ি রাজ্যের দুই শীর্ষ আমলাকে তলব করা নিয়ে সরগরম হয় রাজ্য রাজনীতি। সরকারি আধিকারিকরা এ নিয়ে মুখ না খুললেও নিজেই টুইট করে দীর্ঘ বৈঠকের নির্যাস জানিয়েছেন রাজ্যপাল।

গত অক্টোবরে বিএসএফ (BSF)-এর এক্তিয়ার বৃদ্ধি করেছে কেন্দ্র। সীমান্ত থেকে ৫০ কিলোমিটার ভিতর পর্যন্ত এখন সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর এক্তিয়ার। প্রতিবাদে রাজ্য চিঠি পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারকে। বিধানসভায় গৃহীত হয়েছে নিন্দা প্রস্তাব। এদিন মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে বিএসএফের কাজে সহযোগিতার নির্দেশ দেন ধনকড়। এছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন প্রশাসনিক নিয়োগ ও মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব (সংবিধানের ধারা ১৬৬ ও ১৬৭) নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পদাধিকার বলে রাজ্যপাল রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য। তাঁর সম্মতি ছাড়াই রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগ হচ্ছে বলেও এদিন ক্ষোভ প্রকাশ করেন ধনকড়।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: রাজ্যে ফের ওমিক্রন আতঙ্ক, পেট্রাপোল সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকের শরীরে করোনা]

সকালেও বিএসএফ প্রসঙ্গে মুখ খোলেন রাজ্যপাল। বলেন, “বিএসএফ ও বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থা নিয়ে রাজ্য সরকারের আনা প্রস্তাব সম্পর্কে জানতে চেয়েছি। কিন্তু কোনও সদুত্তর পাইনি। স্থানীয় পুলিশ ও বিএসএফ মিলে একসঙ্গে কাজ করুক। তবেই অপরাধ দমন সম্ভব।’’

রাজ্যপাল বিধানসভার স্পিকারের উদ্দেশে রাজ্যপালের বার্তা, ‘‘অধ্যক্ষ বিধানসভায় তাঁর পদের গরিমা রাখুন। আশা করি উনি পদের গরিমা রাখবেন ও নিজের দায়িত্ব পালন করবেন।’’ হাওড়া ও বালি পুরসভাকে পৃথক করা নিয়েও সরব হন ধনকড়। এই নিয়ে রাজ্য সরকারের বিধানসভায় আনা বিল প্রসঙ্গে ধনকড়ের দাবি, তিনি ওই বিলের সম্পর্কে রাজ্য সরকারের কাছে গত ২৪ নভেম্বর তথ্য চেয়েছিলেন কিন্তু বিধানসভা বা সরকারের তরফে তাঁকে কিছুই জানানো হয়নি।

[আরও পড়ুন: লোকালয়ে ফের বাঘের হানা, বেড়াতে গিয়েও আতঙ্কে হোটেলবন্দি সুন্দরবনের পর্যটকরা]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.