স্টাফ রিপোর্টার: সকাল থেকে আংশিক মেঘলা আকাশ শহর কলকাতায়। কিন্তু বৃষ্টির ছিটেফোঁটাও না থাকায় গরম বেড়েছে চড়চড় করে। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে আর্দ্রতাও। অসহ্য গরমে রীতিমতো দরদর করে ঘামছে দক্ষিণবঙ্গের মানুষ। তবে এখনই স্বস্তির বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস দিতে পারেননি আবহাওয়া দপ্তরের বিশেষজ্ঞরা। আগামী বেশ কয়েকদিনে পরিস্থিতি বদলের তেমন কোনও সম্ভাবনাও দেখছেন না বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস৷
সোমবার মহানগরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস৷ যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশিই৷ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রয়েছে স্বাভাবিকের ঘরেই৷ এদিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস৷
[পঞ্চায়েত ভোট বাতিলের দাবিতে এবার আদালতের দ্বারস্থ বুদ্ধিজীবী মঞ্চ]
কবে আসবে বর্ষা? কবে মিলবে স্বস্তি? প্রশ্ন এখন আমজনতার মুখে মুখে৷ এ প্রসঙ্গে আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মত, বর্ষার আগমনবার্তা পাওয়া যাচ্ছে৷ যদিও এখনই তা বিশেষ জোরাল নয়। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুকে টেনে আনতে যে প্রাকৃতিক পটভূমি দরকার, তাও তৈরি হয়েছে। আরব সাগরে তৈরি ঘূর্ণিঝড় ‘সাগরে’র প্রভাবে চাঙ্গা হয়েছে মৌসুমী বায়ু। এটিই কেরল শাখা অর্থাৎ দেশের মূল ভূখণ্ডে বর্ষার যাত্রাপথ সুগম করবে বলে মনে করছেন তাঁরা৷
[১৮ মিনিটেই বিমানবন্দর থেকে হৃদযন্ত্র এল হাসপাতালে, চ্যালেঞ্জ নিয়ে সফল চালক]
জানা গিয়েছে, সব ঠিকঠাক থাকলে কেরলে বর্ষা ঢুকছে ২৯ মে। নির্দিষ্ট সময়ের তিনদিন আগে। সেই হিসেবে বাংলাতেও তিনদিন আগে আসার কথা বর্ষার৷ শুক্রবার মৌসম ভবনের তরফে এমন সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। মৌসম ভবন আগেই জানিয়েছিল, এবছর বৃষ্টি হবে স্বাভাবিক নিয়মেই। বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় ৯৭ শতাংশ। দেশের অর্থনীতির জন্য এই বৃষ্টিপাত যথেষ্ট উপকারি। এবার মৌসম ভবন জানাল, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বর্ষার সূচনা ঘটাতে পারে এই মাসের শেষেই। ২৯ মে। তবে ঠিক ওই দিনই যে বর্ষা কেরলে ঢুকবে, তার কোনও নিশ্চয়তা দেয়নি হাওয়া অফিস। সাধারণ এই সব ক্ষেত্রে দিন চারেক আগুপিছু হয়ে থাকে। হয়তো ২৯ মে-র চারদিন আগে বা পরে আসতে পারে বর্ষা। সেই অনুযায়ী নির্ধারিত হবে কলকাতার ঋতু পরিবর্তনও। কেরলে চারদিন আগে এলে কলকাতাতেও দিন চারেক আগেই আসবে বর্ষা।