সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ধীরে ধীরে শহরজুড়ে কমে আসছে শীতের রেশ, আর শীতের চলে যাওয়া মানেই বসন্তের আগমন। বসন্তকাল মানেই আবার বসন্ত পঞ্চমী। আর এই বসন্ত পঞ্চমী অর্থাৎ সরস্বতী পুজো মানেই কুল খাওয়া। কিন্ত আমাদের মধ্যে অনেকেই মনে করে কুল খাওয়ার এক চেটিয়া অধিকার শুধু ছোটদেরই রয়েছে। তবে তাঁরা বোধহয় জানেন না, ওই ছোট্ট কুলের মধ্যে রয়েছে কত ধরনের পুষ্টিগুণ।জানলে বোধহয় কুল খাওয়ার প্রতি এরকম অলিখিত ফতেয়া জারি হত না।
কুল অত্যন্ত সস্তা এবং বাজারে বহু বিক্রিত একটা ফল, তাই ইচ্ছা করলেই আপনিও বাজার থেকে কুল কিনে এনে খেতে পারেন। কারণ শীতের ফসল কুল শীতের শেষের দিকে পাকতে শুরু করে। এইসময় পাকা কুলে গাছ প্রায় ছেয়ে যায়। তাই কুল খাওয়ার এটাই আদর্শ সময়।
[কেন সরস্বতী পুজোর আগে কুল খায় না ছাত্র-ছাত্রীরা?]
কুলের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। যা একদিকে আপনার শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, অন্যদিকে যে কোনোরকম দাঁতের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। তাই দাঁতে ব্যথা বা পাইরিয়া জাতীয় সমস্যায় ভুগলে আপনি কুল কিনে খেতে পারেন।
তবে যাদের শ্বাসকষ্ট রয়েছে কুল তাদের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর, তাই তারা চেষ্টা করবেন কাঁচা বা পাকা যে কোন ধরনের কুলকে এড়িয়ে চলার, আর ডায়বেটিস রুগীদের জন্য কুল খুবই ক্ষতিকারক। আবার অনেকে বলেন কাঁচা কুল খেলে নাকি পেটের সমস্যা হয়।
[নিয়মিত চা পান করলে বাড়ে বুদ্ধি ও একাগ্রতা]
কিন্ত কুলের মধ্যে আছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি, যা এই ঋতু পরিবর্তনের সময় আমাদের সর্দি কাশির মতো রোগের হাত থেকে বাঁচায়। এছাড়া কুলের মধ্যে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে এবং লিউকোমিয়ার মতো রোগকে প্রতিরোধ করে। কুল আবার ত্বকের রুক্ষতা দূর করে ত্বককে মসৃণ রাখতে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা সারিয়ে তুলতে এটি অব্যর্থ।