Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

সার্কিট বোর্ড থেকেই মিলবে সোনা!

স্মার্টফোন, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকেই রাশি রাশি সোনা মিলতে পারে৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১, ২০১৭, ০৬:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১, ২০১৭, ০৬:০৯

options
link
সার্কিট বোর্ড থেকেই মিলবে সোনা! zoom

রোশনি চক্রবর্তী: আলিবাবার গুহায় গুপ্তধন মনে আছে নিশ্চয়ই৷ রাশি রাশি সোনা৷ দুর্মূল্য মোহর৷ তেমনটাই পাওয়া যেতে পারে পুরনো বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি থেকে৷ আর প্রবাদেই তো আছে, ছাই থেকেও অমূল্য রতনের সন্ধান মেলে! এই বিষয়টাও ঠিক তেমন… বিজ্ঞানীরাও তাই বলছেন৷ স্মার্টফোন, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকেই রাশি রাশি সোনা মিলতে পারে৷

গবেষকরা একটি সামান্য পদ্ধতি ব্যবহার করে পুরনো যন্ত্রপাতি থেকে সোনা নিষ্কাশন করতে পেরেছেন৷ কিন্তু সোনা নিষ্কাশন করার পদ্ধতি বেশ কিছু স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে৷ কারণ সায়ানাইড৷ বিষাক্ততম এই পদার্থের কারণেই এই গবেষণা এগোতে পারছে না৷ বৈদ্যুতিন বর্জ্য- পুরনো মোবাইল, টেলিভিশন সেট, কম্পিউটার এই সবকিছুর মধ্যেই পৃথিবীর সাত শতাংশ সোনা লুকিয়ে রয়েছে৷ পুরনো যন্ত্রপাতির যে কোনও সার্কিট বোর্ডই এর উৎস৷ গবেষণাগারে রসায়নবিদরা সার্কিট বোর্ড থেকেই সোনা নিষ্কাশন করতে সক্ষম৷

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

লন্ডনের এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, পরিবেশবান্ধব সমাজ গড়ার লক্ষ্যেই তাঁরা এই দিকটি নিয়ে ভেবেছেন৷ পুরনো, ফেলে দেওয়া হাবিজাবি জিনিসপত্র থেকে কীভাবে সোনা মিলতে পারে, সেই দিকটি নিয়েই এগিয়েছেন তাঁরা৷ সোনার খনির বদলে পুরনো জিনিস থেকে সোনা পাওয়া গেলে কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমনের মান কমবে৷ ফলে বাড়বে অক্সিজেনের পরিমাণ৷ এমনকী তাদের গবেষণায় কোনওরকম বিষাক্ত রাসায়নিকও ব্যবহার করা হয়নি৷

বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে প্রতি বছর মোট ৩০০ টনেরও বেশি সোনা ব্যবহার করা হয়৷ এই জটিল রসায়নের সমস্যা সমাধানে নিষ্কাশন পদ্ধতি নিয়ে গবেষণা করছেন বিজ্ঞানীরা৷ তারা একটি নতুন পদার্থ আবিষ্কার করে ফেলেছেন, যেটির মাধ্যমে তুলনামূলক সহজ উপায়ে সোনা নিষ্কাশন করা যায়৷ সার্কিট বোর্ডগুলিকে মৃদু অ্যাসিডে রেখে দেওয়া হয়৷ ফলে ধাতব অংশগুলি গলে যায়৷ এরপরই একটি তৈলজাতীয় রাসায়নিক যোগ করা হয়৷ যেটি ওই জটিল মিশ্রণ থেকে সোনাকে আলাদা করে দেয়৷ গবেষকরা জানিয়েছেন, “বৈদ্যুতিন বর্জ্য ব্যবহার করে সমাজ ও অর্থনীতির উপকারের দিকটিই মাথায় রেখেছি আমরা৷”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.