Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নৈশভোজ সারতে সারতে মধ্যরাত, কত বড় বিপদ ডাকছেন জানেন?

ডিনারেই লুকিয়ে কর্কট রোগের বীজ, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৯, ২০১৮, ১৮:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৯, ২০১৮, ১৮:০৭

options
link
নৈশভোজ সারতে সারতে মধ্যরাত, কত বড় বিপদ ডাকছেন জানেন? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাত করে ঘুমোতে যাওয়ার অভ্যাস রয়েছে। কর্পোরেট লাইফে রাতের শিফটে কাজ করার চাপ। লেট নাইট পার্টি। নানা কারণেই রাতের খাবারের সময়সীমা পিছোতে থাকে। জানেন কি অজান্তেই কত বড় বিপদ ডাকছেন? গবেষণা বলছে, যাঁরা ঘুমোতে যাওয়ার অন্তত দু’ঘণ্টা আগে নৈশভোজ সারেন তাঁরা ব্রেস্ট ও প্রস্টেট ক্যানসারের ছোবল থেকে নিরাপদেই থাকেন।

[রান্নার আগে এই সবজিগুলি ভাল করে ধুয়ে নেন তো? নইলে বিপদ]

বলা বাহুল্য, আগেভাগেই রাত নামে গ্রামাঞ্চলে। তাই বাসিন্দাদের রাতের খাবার পর্ব সম্পন্ন হয় প্রায় ন’টার মধ্যেই। তাই গ্রামবাসীর মধ্যে এখনও থাবা বসাতে পারেনি প্রস্টেট ক্যানসার ও ব্রেস্ট ক্যানসারের মতো মারণ রোগ। এমনিতেই কর্কট রোগ গোটা বিশ্বজুড়ে আতঙ্কের আবহ তৈরি করে রেখেছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে চূড়ান্ত চিকিৎসা সহায়তা দিয়েও কর্কট রোগের ছোবল থেকে রোগীকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয় না। রোগের শুরুতে ধরা পড়লেও চিকিৎসকদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন অনেকে। ভাগ্যবানরা লড়াই করে নতুন জীবন ফিরে পান। তবে সেই সব ভাগ্যবানদের সংখ্যাটাও উল্লেখযোগ্যভাবে কম। তাই ক্যানসার রুখতে রোগের প্রবনতাকেই রুখে দিতে চাইছেন চিকিৎসকরা। গবেষণা রিপোর্ট অনুযায়ী প্রতিদিন প্রস্টেট ক্যানসার ও ব্রেস্ট ক্যানসারের সংখ্যা বাড়ছে হু হু করে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ঝিরিঝিরি বৃষ্টিতে সুন্দর থাকতে চান? এভাবেই সাজুন]

এই ভয়াবহতা রুখতেই নারী ও পুরুষের উপরে একটি সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। সেই সমীক্ষা রিপোর্টেই দেখা গিয়েছে ৮৭২জন পুরুষের মধ্যে ৬২১ জন প্রস্টেট ক্যানসারে আক্রান্ত। একইভাবে ১,৩২১ জন মহিলার মধ্যে ১.২০৫  জন মহিলা ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্ত। আক্রান্ত পুরুষ-মহিলার দৈনন্দিন খাদ্যাভাসের মূল্যায়ন করে দেখা গিয়েছে, তাঁদের বেশির ভাগের খাবার সময়ের কোনও সামঞ্জস্য নেই। নৈশাভোজের সময় আসতে আসতে প্রায় মধ্যরাত হয়ে যায়। অনেকে কর্পোরেট সেক্টর ও বেসরকারি সংস্থায় কাজ করার জন্য রাতের শিফটে অফিসে থাকেন। তাঁরা সাধারণত রাত করেই খাওয়াদাওয়া সারেন। কিন্তু রাত ন’টার আগে যারা খেয়ে নেন তাঁরাই এক্ষেত্রে নিারপদ জোনে রয়েছেন। বাকিদের উপর থেকে কিন্তু কর্কট রোগের ভ্রুকুটি এখনই যাচ্ছে না। তাই রাতে যতক্ষণই কাজ করুন না কেন ন’টার আগে নৈশাভোজ সারার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.