সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একদিকে সোনালি। আর অন্যদিকে রুপোলি জরি। আলমারি খুললেই মন বলছে এবার অন্য ধরনের কোনও শাড়ি চাই। চিন্তা কী? পুজোর কেনাকাটিতে নতুনত্ব তো থাকবেই। কারণ, এবার পুজোয় ট্রেন্ড কপার জরির শাড়ি (Copper Zari Saree)। তাই এই শাড়ি ওয়ার্ড্রবে না থাকলেই নয়।

সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ বলে কথা। পকেটও গরম। কারণ, বেশিরভাগ চাকরিজীবীই বেতন পেয়ে গিয়েছেন। তার উপর আবার পুজোর আর একমাসও বাকি নেই। তাই শাড়ির দোকানে ইতিমধ্যে ভিড় বাড়তে শুরু করেছে। কেউ কিনছেন নিজের জন্য। আবার কেউবা প্রিয়জনকে উপহার দেবেন বলেই শাড়ির দোকানে ভিড় জমাচ্ছেন।

[আরও পড়ুন: দেবদেবীর ছবি আঁকা ট্যাটু রয়েছে শরীরে? নিয়ম না মানলে হতে পারে মহাবিপদ]
আর ভিড়ের মাঝে অনেকেই দোকানির কাছে কপার জরির শাড়ি চেয়ে বসছেন। কারও পছন্দ কপার জরির লিনেন কিংবা কপার জরির টিস্যু তাঞ্চই। আবার কারও মন মজেছে কপার জরির কাঞ্জিভরমে। আর যাঁরা সিল্ক খুব একটা পছন্দ করেন না, তাঁরা ফ্যান্সি শাড়িতে কপার জরির ছোঁয়া খুঁজছেন।

দোকানিরা বলছেন, চাহিদার কথা মাথায় রেখে কিছু তাঁত শাড়িতেও এখন কপার জরি ব্যবহার করা হচ্ছে। আবার খাদি কটন, লিনেন, হ্যান্ডলুম, রেশম ঢাকাইতেও কপার জরি দিয়ে নকশা করা হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, জরির চাহিদা এখন খানিকটা কমেছে। সোনালি জরি এখন আর সেভাবে নিতে চান না মহিলারা। তবে রুপোলি জরির শাড়ি এতদিন বাজার কাঁপাত। বর্তমানে কপার জরির চাহিদা তুঙ্গে। হু হু করে বিকোচ্ছে শাড়িগুলি।

কপার জরির শাড়ির দাম সাধ্যের মধ্যে। কপার জরির হ্যান্ডলুম কিনতে খরচ পড়বে হাজার টাকা। দেড় হাজার টাকা থেকে শুরু রেশম ঢাকাই। কপার জরিতে ফ্যান্সি শাড়ির দাম ২ হাজারের ভিতরেই হবে।

তবে তামা জরির তসর এবং কাঞ্জিভরম কিনতে একটু বেশিই খরচ পড়বে। ৫-৬ হাজার টাকা খরচ করলেই মিলবে তামা জরির তসর। কাঞ্জিভরম কিনতে লাগবে ৮ থেকে ২০ হাজার টাকা। তবে আর দেরি কেন? পুজোর কেনাকাটির তালিকায় অবশ্যই রাখুন কপার জরির শাড়ি।

[আরও পড়ুন: শুধু লুই ভিত্তো নয়, বাজারে রয়েছে লাখ টাকার বহু ব্যাগ! জানেন কোন কোন ব্র্যান্ডের?]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন