Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Prescription Plus

অফিসের কাজে মন বসছে না? বার্নআউট এড়াতে কর্মক্ষেত্রেই শুরু করুন ‘৪৫:১৫’ নিয়ম

এই টেকনিকের নেপথ্যে রয়েছে কগনিটিভ বিজ্ঞান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৩, ২০২৫, ১৪:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৩, ২০২৫, ১৪:৩১

options
link
অফিসের কাজে মন বসছে না? বার্নআউট এড়াতে কর্মক্ষেত্রেই শুরু করুন ‘৪৫:১৫’ নিয়ম zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই অফিস। কোনও মতে নাকে-মুখে গুঁজেই তরিঘড়ি ছুটতে হয়। অফিসে ব্যস্ততা বাড়ে। কখনও একের পর এক মিটিং, কখনও বা নতুন প্রজেক্টের অতিরিক্ত চাপ। কিংবা টার্গেট পূরণের বাধ্যবাধকতাও থাকে। এক নাগাড়ে কাজের প্রেশারে মাঝেমধ্যে নাভিঃশ্বাস উঠে আসে। শুধু তাই নয়। লাগাতার প্রেশার নিয়ে কাজ করলে একটা সময় পর মাথা আর কাজ করতে চায় না। ফলে মনঃসংযোগের অভাব দেখা দেয়। এতে কাজের গতি ব্যহত হয়। তাই কর্পোরেট সংস্কৃতির বাড়বাড়ন্তে প্রয়োজন সাময়িক ব্রেক। নাহলে কাজে একের পর এক ভুল দেখা দিতে পারে। কিন্তু এই সাময়িক বিরতি ঠিক কতক্ষণের জন্য নেওয়া দরকার। জানেন কি?

Health Tips: Feeling distracted at work, To avoid burnout, follow the '45:15' rule কর্মক্ষেত্রে একটানা কাজ করার ফলে আমাদের মস্তিষ্ক দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এর ফলে কাজের গতি কমে আসে। একই সঙ্গে মনোযোগ নষ্ট হয়। এই সমস্যা এড়াতে এবং কর্মদক্ষতা বাড়াতে সম্প্রতি বেশ কিছু গবেষণায় একটি বিশেষ নিয়মের কথা বলা হচ্ছে। এটিই হল ‘৪৫:১৫ মিনিট নিয়ম’।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই নিয়মের নেপথ্যে রয়েছে কগনিটিভ বিজ্ঞান। এই পদ্ধতিতে প্রতি এক ঘণ্টা সময়কে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়। প্রথম ভাগটি হল ৪৫ মিনিট। এই ৪৫ মিনিট সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে একটানা কাজ করতে হবে। এই সময়ে অন্য কোনও কিছুতে মনোযোগ দেওয়া চলবে না। গবেষণা বলছে, বেশিরভাগ মানুষের মনোযোগের সর্বোচ্চ সময়সীমা প্রায় ৪৫ মিনিট। তাই এই সময়ে কাজ করলে সর্বোচ্চ ফলাফল পাওয়া যায়।

Health Tips: Feeling distracted at work, To avoid burnout, follow the '45:15' rule এরপর আসে ১৫ মিনিটের বিরতি। এই বিরতিটি মস্তিষ্ককে বিশ্রাম নিতে সাহায্য করে। এই সময় আপনি চেয়ার ছেড়ে উঠে হাঁটতে পারেন। কিংবা হালকা স্ট্রেচ করতে পারেন। কাজ সংক্রান্ত কোনও চিন্তা না করে মনটাকে ফ্রি করুন। চেয়ারে বসে করতে পারেন সহজ প্রাণায়াম। এক গ্লাস জল পান করুন। এই ছোট বিরতিগুলি মানসিক চাপ কমায়। শুধু তাই নয়, পুনরায় কাজে বসার জন্য প্রস্তুত করে তোলে। শরীরে এনার্জি জোগায়।

টানা কাজ না করে এই ৪৫:১৫ রুটিন মেনে চললে ‘বার্নআউট’ বা অতিরিক্ত ক্লান্তি এড়ানো যায়। এটি কাজের গুণগত মান বাড়াতে সাহায্য করে। দিনভর ফুল এনার্জিতে কাজ করা যায়। অনেক গবেষকের মতে, এই নিয়মটি প্রথাগত ‘পোমোডোরো টেকনিক’-এর (২৫ মিনিট কাজ, ৫ মিনিট বিরতি) চেয়ে দীর্ঘ এবং গভীর কাজের জন্য বেশি কার্যকর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.