Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কলা গাছের বর্জ্য দিয়ে স্যানিটারি ন্যাপকিন বানালেন দুই বান্ধবী

তাঁদের এই কলা গাছের বর্জ উপাদান টিয়ে তৈরি প্যাড সম্পূর্ণ পরিবেশ বান্ধব

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৬, ২১:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৬, ২১:১০

options
link
কলা গাছের বর্জ্য দিয়ে স্যানিটারি ন্যাপকিন বানালেন দুই বান্ধবী zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতবর্ষের বেশিরভাগ গ্রামাঞ্চলেই এখনও অর্ধেকের বেশি মহিলা স্যানিটারি প্যাড ব্যবহার করেন না৷ এবং প্যাড না ব্যবহার করার পিছনে সচেতনতার অভাবের পাশাপাশি রয়েছে আর্থিক সমস্যা৷ সেই সমস্যার সমাধানেই কলা গাছের বর্জ্য উপাদান দিয়ে প্যাড তৈরি করলেন এমআইটির স্নাতক উত্তীর্ণ ছাত্রী অমৃতা সায়গল ও তাঁর বান্ধবী ক্রিস্টিন কাগেৎসু৷

এই প্যাড তৈরি করে শুধু স্বাস্থ্যকর পরিবেশের সচেতনতা বাড়াচ্ছেন তা নয়, তাঁরা সেই সব মানুষগুলির পাশেও দাঁড়াচ্ছেন যাঁরা দামী স্যানিটারি প্যাড ব্যবহার করতে পারতেন না৷ ২০১২ সাল থেকেই এই প্রোজেক্টে কাজ করছেন অমৃতা ও ক্রিস্টিন৷ বহুবার ব্যর্থ হয়েও হাল ছাড়েননি তাঁরা৷ অবশেষে তাঁদের প্রোজেক্ট ‘সাথী’ সফল হয়৷

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএ করার সময় ২০১৫ সালে এই প্রোজেক্টটির জন্য তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে পুরস্কৃতও হন৷ ফলে প্রোজেক্টটি বাস্তবায়িত করতে পেরে অমৃতা সন্তুষ্ট৷

এই দুই যুবতী আশাবাদী ভারতের বাজারে বিপ্লব আনবে তাঁদের প্রোডাক্ট৷ ভারত এমন একটি দেশ যেখানে প্রায় ৭০ শতাংশ মহিলা দামী স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করতে পারেন না৷ এবং ৮৮ শতাংশ মহিলাই ঋতুচক্রের সময় অস্বাস্থ্যকর বস্তু ব্যবহার করে থাকেন৷ ফলে তাঁদের তৈরি করা এই প্যাড সহজেই মহিলাদের কাছে জনপ্রিয় হবে৷

এমনকি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, রজঃস্বলা হওয়ার পর অন্তত ২৩ শতাংশ ছাত্রী স্কুলে যাওয়া ছেড়ে দেয়৷ তাই অমৃতা ও ক্রিস্টিন চান তাঁদের মতোই ভারতবর্ষের প্রত্যেক মেয়ের উপর শিক্ষার আলো পড়ুক৷

তাঁদের এই কলা গাছের বর্জ্য উপাদান টিয়ে তৈরি প্যাড সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব এবং অমৃতা জানিয়েছেন, এই প্যাড তৈরি করে আয়ের সুযোগ সহজেই পাবেন গ্রামাঞ্চলের অনেকেই৷ একটি প্যাড তৈরি করতে আনুমানিক খরচ ১ টাকা৷ তাই বলাই বাহুল্য এই প্যাডের বাজার দরও অন্যান্য অনেক প্যাডের তুলনায় কম হবে৷

ফলে ভারতীয় বাজারে এই অভিনব প্যাডের চাহিদাও থাকবে আশা করা যায়৷

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.