Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬

আরশোলার দুধে সুষম আহার

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি প্রোটিনযুক্ত যে দুধ, সেই মোষের দুধের থেকেও তিন গুণ বেশি প্রোটিন রয়েছে আরশোলার দুধে!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০১৮, ১৫:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০১৮, ১৫:৪৬

options
link
আরশোলার দুধে সুষম আহার zoom

ঐন্দ্রিলা বসু সিংহ: বাঘের দুধের জোরের কথা অনেকেই শুনে থাকবে৷ কিন্তু, পুঁচকে একটা আরশোলর দুধেরও যে এত জোর তা কে জানত৷ একটি বিশেষ গবেষণায় বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি জানতে পেরেছেন, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি প্রোটিনযুক্ত যে দুধ, সেই মোষের দুধের থেকেও তিন গুণ বেশি প্রোটিন রয়েছে আরশোলার দুধে! এ পর্যন্ত পড়ে যাদের শরীরের মধ্যে অপ্রীতিকর অনুভূতি হতে শুরু করেছে, তাঁরা জেনে রাখুন, এমন দিন আর বেশি দেরি নেই, যখন ওলিম্পিকে কুস্তি লড়ার আগে আরশোলার দুধ খেয়ে রিংয়ে নামবেন কুস্তিবীররা৷ ফাটিয়ে পারফরম্যান্স দেবেন৷ আবার ডোপ টেস্টেও ধরা পড়বেন না৷

এব্যাপারে গবেষণাও শুরু হয়েছে৷ আর সেই গবেষণায় অংশ নিয়েছেন এক বাঙালি গবেষক৷ নাম সঞ্চারী বন্দ্যোপাধ্যায়৷ অন্য গবেষকদের সঙ্গে একটি বিজ্ঞান বিষয়ক পত্রিকায় এ ব্যাপারে একটি প্রতিবেদন লিখেছেন তিনি৷ সেখানেই সঞ্চারী জানিয়েছেন, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে পাওয়া এক বিশেষ ধরনের প্যাসিফিক বিটল আরশোলার কথা৷ তিনি লিখেছেন, “এখানে একটা প্রশ্ন উঠতে পারে–আরশোলারা কবে থেকে তাদের শরীরে দুধ তৈরি করছে৷ তারা তো স্তন্যপায়ী নয়৷ এর উত্তরটা হল, সব আরশোলা নয়৷ তবে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে পাওয়া এক বিশেষ ধরনের প্যাসিফিক বিটল আরশোলা নিজেদের শরীরে দুধ তৈরি করতে পারে৷ যৌবন ধরে রাখার জন্য এরা স্তন্যপায়ীদের মতোই বাচ্চার জন্ম দেয়৷ আর তারপর বাচ্চাদের পুষ্টি দিতে তাদের শরীর থেকে বেরোতে শুরু করে এক ধরনের সাদা তরল৷ যা দুধের মতোই প্রোটিনে ভরপুর৷”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানীদের একটি দল এই নিয়ে গবেষণা শুরু করেছিলেন৷ তাঁরা দেখেছেন, ওই সাদা তরল একটি সম্পূর্ণ সুষম আহার৷ এর মধ্যে স্ফটিকের আকারে রয়েছে অসংখ্য প্রোটিন, চিনি এমনকী স্নেহজাতীয় পদার্থও (লিপিড)৷ যা খেলেই মিলবে ইনস্ট্যান্ট এনার্জি৷ এমনকী প্রোটিন বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে, তাতে সমস্তরকমের প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিডও বর্তমান৷ এ সব জেনে শুনেই ভবিষ্যতের খাদ্য নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে শুরু করেছেন বিজ্ঞানীরা৷ প্যাসিফিক আরশোলাদের সাহায্যে এই প্রোটিনে ভরপুর দুধ আরও বেশি করে কীভাবে তৈরি করা যায় এখন তা নিয়েই মাথা ঘামাচ্ছেন গবেষকরা৷

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.