Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬

ট্যাটু তো করিয়ে নিলেন, কিন্তু এই জিনিসগুলি জানেন কি?

আপনার পছন্দের ট্যাটুই হতে পারে আপনার অকালমৃত্যুর কারণ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৪, ২০১৭, ১২:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৪, ২০১৭, ১২:৫৩

options
link
ট্যাটু তো করিয়ে নিলেন, কিন্তু এই জিনিসগুলি জানেন কি? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  কেউ পছন্দ করেন নিজের নাম খোদাই করতে,  কেউ ভালবাসার মানুষের। কেউ আবার ঈশ্বরের। কেউ কেউ তো আবার শরীর জুড়ে আঁকতে চান তাঁর পছন্দের ছবি। জেন ওয়াই এখন মজেছে ট্যাটুতে। কখনও সেই ট্যাটু হয়ে উঠছে স্টাইল স্টেটমেন্ট কখনও বা সেই ট্যাটুর জেরেই সেলিব্রিটিরা জড়িয়ে পড়ছেন বিতর্কে। কিন্তু এই ট্যাটুই হয়ে উঠতে পারে দুঃস্বপ্ন। হতে পারে আপনার মৃত্যুর কারণ। তেমনই এক কাণ্ড ঘটেছে এক মার্কিন যুবকের সঙ্গে।

[জেনে নিন কীভাবে মুক্তি পাবেন ধূমপানের নেশা থেকে?]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ট্যাটু করানোর কয়েকদিনের মাথায় মৃত্যু হল ৩১ বছর বয়সী এক যুবকের। রিপোর্ট অনুযায়ী, সমুদ্রের জলে থাকা একধরনের মাংসাশী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। ট্যাটু আর্টিস্টের বারণ সত্ত্বেও পায়ে ট্যাটু করানোর পাঁচদিনের মাথায় মেক্সিকান উপসাগরে সাঁতার কাটতে নেমেছিলেন তিনি। তার কিছুদিন পর থেকেই জ্বরে আক্রান্ত হন, পাশাপাশি ট্যাটু করানো ত্বকের অংশ ক্রমশই লাল হয়ে যায় এবং ফোস্কার আকার নেয়। চিকিৎসকের সন্দেহ, এর কারণ ‘ভিবরিও ভালনিফিকাস’ নামের এক ব্যাকটেরিয়া, যা মূলত বাস করে উপকূলবর্তী সমুদ্রের জলে। স্নানের সময়ই সেই জীবানু ট্যাটু করা ত্বকের ক্ষতের মধ্যে দিয়ে প্রবেশ করে ওই যুবকের শরীরে। যা ধীরে ধীরে সংক্রমণের আকার নেয় আর সেই সংক্রমণের জেরেই মৃত্যু হয় ওই যুবকের।

প্রায়ই পা অবশ হয়ে যাচ্ছে?  অবহেলা না করে এখনই ডাক্তার দেখান  ]

আমেরিকার মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের এক রিসার্চে দেখা গিয়েছে, ট্যাটু মূলত প্রভাব ফেলে আমাদের ঘর্মগ্রন্থিতে। চিরস্থায়ী ট্যাটু করার ক্ষেত্রে ত্বকে ৩ থেকে ৫ মিলিমিটার গভীর ছিদ্র করা হয়ে, যেখানে রয়েছে আমাদের ঘর্মগ্রন্থি, ট্যাটুর ফলে নষ্ট হয়ে যায় বেশ কয়েকটি গ্রন্থি। আর যার ফলে শরীরে প্রভাব ফেলে নানাধরনের রোগ। তাই চিরস্থায়ী ট্যাটু না করানোরই নির্দেশ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। বিশেষত যারা উচ্চরক্তচাপ, হাইপারটেনশেন, হৃদরোগ বা মধুমেহ রোগে আক্রান্ত, অথবা যাদের মেকআপ বা লিপস্টিকে অ্যালার্জি রয়েছে তাঁদের জন্য বিপদের কারণ হতে পারে ট্যাটু।

ট্যাটু করানোর আগে যে বিষয়গুলিতে নজর দেওয়া উচিত…

১) আগেই দেখে নিন, ট্যাটু স্টুডিও ও ট্যাটু করার যন্ত্রপাতি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন কিনা।

২) যে সূচ দিয়ে আপনার ট্যাটুটি আঁকা হচ্ছে সেটি যেন সিল করা প্যাকেটে থাকে।

৩) ট্যাটু আঁকার সময় অবশ্যই যেন আর্টিস্টের হাতে গ্লাভস থাকে।

৪) আর যেটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তা হল ট্যাটু ডাই যা সহজেই প্রভাব ফেলে ত্বকে।

তবে এ তো গেল ট্যাটু করানোর আগের নির্দেশিকা, ট্যাটু করানোর পরেও মেনে চলা উচিত যেসব নিয়ম, সেগুলি হল…

১) ট্যাটু করা ত্বক নখ দিয়ে চুলকোনো বা আঁচড়ানো একেবারেই নিষেধ।

২) ব্যবহার করুন অ্যান্টিবায়োটিক ক্রিম।

৩) ট্যাটু করনোর ২৪ ঘন্টা পর ব্যান্ডেজ খুলে পরিষ্কার জলে ধুয়ে ফেলুন এবং শুকিয়ে নিন।

৪) সূর্যের আলো থেকে দূরে থাকুন।

৫) ক্ষত না শুকানো পর্যন্ত সাঁতার কাটবেন না।

৬) এমন কোনও ওয়ার্কআউট করবেন না যা প্রভাব ফেলবে ট্যাটু করা ত্বকে।

৭) কোনওরকম অ্যালার্জি বা ব্যাথা হলে পরামর্শ নিন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের।

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.