Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
নোকিয়া

৪২ জন কর্মীর শরীরে বাসা বেঁধেছে করোনা, তামিলনাড়ুর কারখানা বন্ধ করল নোকিয়া

লকডাউন শিথিল হওয়ার পর কাজ শুরু হয় নোকিয়ার এই কারখানায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০২০, ১৪:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০২০, ১৪:০৯

options
link
৪২ জন কর্মীর শরীরে বাসা বেঁধেছে করোনা, তামিলনাড়ুর কারখানা বন্ধ করল নোকিয়া zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নোকিয়ার তামিলনাড়ুর কারখানায় করোনার হানা। কারখানার প্রায় ৪২ জন কর্মী সম্প্রতি এই মারণ ভাইরাসের শিকার হয়েছেন। সংক্রমণ থেকে বাঁচতে তাই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে গোটা কারখানাটি। মঙ্গলবার নোকিয়ার তরফে কারখানা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার খবরটি প্রকাশ করে হয়।

তামিলনাড়ুর এই টেলিকম কারখানায় নোকিয়া মোবাইলের বিভিন্ন যন্ত্র তৈরি হয়। সম্প্রতি কারখানার কয়েকজন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তাঁদের সোয়াব পরীক্ষায় করা হয়। পরীক্ষায় তাঁদের শরীরে করোনা ভাইরাসের সন্ধান মেলে। তারপরই তামিলনাড়ুর শ্রীপেরুমুদুরের এই প্ল্যান্টটি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। তবে ঠিক কতজন শ্রমিকের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে, তা নোকিয়া প্রকাশ করেনি। তবে সূত্র মারফত খবর, কমপক্ষে ৪২ নোকিয়ার কর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ আরও পড়ুন: বেসরকারি ল্যাবে বাড়তে পারে করোনা পরীক্ষার খরচ! আইসিএমআরের চিঠিতে বিতর্ক ]

লকডাউন শিথিল হওয়ার পর অনেক কোম্পানিকেই কাজ শুরু করার অনুমতি দেয় কেন্দ্র। তার মধ্যে ছিল নোকিয়ার এই কারখানাটিও। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, প্রশাসনের নির্দেশ মতো স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ শুরু করা হয়েছিল। কর্মীদের মধ্যে সামাজিক দূরত্বও বজায় রাখা হচ্ছিল। সুরক্ষা ব্যবস্থাতেও কোনও ত্রুটি ছিল না। কিন্তু তা সত্ত্বেও বেশ কয়েকজন কর্মী আক্রান্ত হয়ে পড়েন। যদিও নোকিয়ার তরফে জানানো হয়েছে, তাঁদের কর্মীরা চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন। দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন তাঁরা। খুব শীঘ্রই ফের কাজ শুরু হবে।

প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে স্মার্টফোন নির্মাণকারী সংস্থা ওপ্পোর দিল্লি কারখানার ৯ জন ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হন। তারপরই কারখানাটি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু কারখানায় এভাবে করোনা সংক্রমণ ছড়ানোর ফলে আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন কারখানার মালিকরা। লকডাউন এভাবে দিনের পর দিন চালানো সম্ভব নয়। কখনও তো কাজ শুরু করতে হবে। কিন্তু এভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকলে কীভাবে কর্মীরা কাজ করবেন, তা নিয়ে চিন্তিত মালিকরা।

[ আরও পড়ুন: ‘অনিয়শ্চয়তা কাটাতে পরিকল্পিতভাবে তুলতে হবে লকডাউন’, রাহুলকে বললেন বিশেষজ্ঞরা ]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.